উড়িষ্যার পর এবার বিরল হলুদ কচ্ছপের হদিশ পাওয়া গেল বর্ধমানেও

কচ্ছপটি দক্ষিণ-পূর্ব নেপালের একটি গ্রামে পাওয়া গিয়েছিল সর্বপ্রথম। এই কথাটি মি’থিলা বন্যজীবন ট্রা’স্টকে জানানো হয়েছিল। মিথিলা ওয়া’ইল্ডলাইফ ট্রা’স্টের মতে কচ্ছপটিকে। একটি ভারতীয় ফ্ল্যা’পশেল টার্টল বা লিসেমিস পা’ঙ্কটা আ’ন্ডারসোনি হিসাবে চিহ্নিত করেছিলেন।

অবশ্য নেপালে প্রথমবারের মতো একটি সোনার কচ্ছপ আ’বি’ষ্কৃত হয়েছিল। তারপরে এই কছপটির হদিশ পাওয়া গিয়েছিল, উড়িষ্যার রাজধানী ভু’বনেশ্বরে ১৯৬ কিমি দূরে। তখন বলা হয়েছিল এই কছপটি একটি বিরল। জি’নগত পরিবর্তন থেকে একটি অন্য রঙ পেয়েছে যা তার র’’ঙ্গককে পরিবর্তন করেছে।

যে অবস্থায় কচ্ছপকে তার ঝলমলে স্বর্ণের শাঁস দিয়েছে। তাকে বি’জ্ঞানের ভাষায় ক্রো’মাটিক লিউসিজম বলে। অ্যা’ন্ডারসনি প্রজাতির এই হলুদ কচ্ছপটি বিশ্বের যেকোন জায়গায় দেখা যেতে পারে। কিন্তু নেপালে এর প্রথম হদিশ পাওয়া গিয়েছিল।

তারপর উড়িষ্যাতে ভুবনেশ্বরে এই কচ্ছপটি সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল এখন স’ম্প্রতি বাংলাতে এরকমই এক কছপের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। বর্ধমানের এক পুকুর থেকে হলুদ রঙের এই বিরল প্রজাতির কচ্ছপ উ’’দ্ধার করা হয়েছে। যা দেখে মানুষজন ভ’য় পেয়ে গিয়েছে।

তবে উড়িষ্যা থেকে যে হলুদ রঙের কচ্ছপ উ’’দ্ধার করা হয়েছিল এবং বর্ধমান থেকে যে কছপ উ’’দ্ধার করা হয়েছে। সেই দুই কছপকে পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে দুই কছপের দে’হে একিরকম জিনেটিক মিউটিশন লক্ষ্য করা গেছে।

এই বি’ষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি তারা কোনো রোগে আ’ক্রা’ন্ত না অন্য কোনো বি’ষয় রয়েছে। তবে এই কছপটির শেল থেকে শুরু করে দে’হ পুরোটাই হলুদ‌। এই স’ম্বন্ধে বনকর্মী সুশান্ত নন্দ বলেছেন, এই কচ্ছপ আলবেনিয়া রোগে আ’ক্রা’ন্ত এই কারণেই তাদের রং হলুদ।

কচ্ছপটি দক্ষিণ-পূর্ব নেপালের একটি গ্রামে পাওয়া গিয়েছিল সর্বপ্রথম। এই কথাটি মি’থিলা বন্যজীবন ট্রা’স্টকে জানানো হয়েছিল। মিথিলা ওয়া’ইল্ডলাইফ ট্রা’স্টের মতে কচ্ছপটিকে। একটি ভারতীয় ফ্ল্যা’পশেল টার্টল বা লিসেমিস পা’ঙ্কটা আ’ন্ডারসোনি হিসাবে চিহ্নিত করেছিলেন।

অবশ্য নেপালে প্রথমবারের মতো একটি সোনার কচ্ছপ আ’বি’ষ্কৃত হয়েছিল। তারপরে এই কছপটির হদিশ পাওয়া গিয়েছিল, উড়িষ্যার রাজধানী ভু’বনেশ্বরে ১৯৬ কিমি দূরে। তখন বলা হয়েছিল এই কছপটি একটি বিরল। জি’নগত পরিবর্তন থেকে একটি অন্য রঙ পেয়েছে যা তার র’’ঙ্গককে পরিবর্তন করেছে।

যে অবস্থায় কচ্ছপকে তার ঝলমলে স্বর্ণের শাঁস দিয়েছে। তাকে বি’জ্ঞানের ভাষায় ক্রো’মাটিক লিউসিজম বলে। অ্যা’ন্ডারসনি প্রজাতির এই হলুদ কচ্ছপটি বিশ্বের যেকোন জায়গায় দেখা যেতে পারে। কিন্তু নেপালে এর প্রথম হদিশ পাওয়া গিয়েছিল।

তারপর উড়িষ্যাতে ভুবনেশ্বরে এই কচ্ছপটি সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল এখন স’ম্প্রতি বাংলাতে এরকমই এক কছপের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। বর্ধমানের এক পুকুর থেকে হলুদ রঙের এই বিরল প্রজাতির কচ্ছপ উ’’দ্ধার করা হয়েছে। যা দেখে মানুষজন ভ’য় পেয়ে গিয়েছে।

তবে উড়িষ্যা থেকে যে হলুদ রঙের কচ্ছপ উ’’দ্ধার করা হয়েছিল এবং বর্ধমান থেকে যে কছপ উ’’দ্ধার করা হয়েছে। সেই দুই কছপকে পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে দুই কছপের দে’হে একিরকম জিনেটিক মিউটিশন লক্ষ্য করা গেছে।

এই বি’ষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি তারা কোনো রোগে আ’ক্রা’ন্ত না অন্য কোনো বি’ষয় রয়েছে। তবে এই কছপটির শেল থেকে শুরু করে দে’হ পুরোটাই হলুদ‌। এই স’ম্বন্ধে বনকর্মী সুশান্ত নন্দ বলেছেন, এই কচ্ছপ আলবেনিয়া রোগে আ’ক্রা’ন্ত এই কারণেই তাদের রং হলুদ।

এরআগেও সি’ন্ধু উপত্যাকায় এর হদিশ পাওয়া গিয়েছিল। তবে এই কছপ আগেও উড়িষ্যা থেকে উ’দ্ধার হয়েছিল। তখন ও ভাইরাল হয়েছিল এখনো বর্ধমান থেকে উ’’দ্ধার হওয়ার পর, ভাইরাল হয়েছে এই হলুদ রঙের ভিডিও।

এরআগেও সি’ন্ধু উপত্যাকায় এর হদিশ পাওয়া গিয়েছিল। তবে এই কছপ আগেও উড়িষ্যা থেকে উ’দ্ধার হয়েছিল। তখন ও ভাইরাল হয়েছিল এখনো বর্ধমান থেকে উ’’দ্ধার হওয়ার পর, ভাইরাল হয়েছে এই হলুদ রঙের ভিডিও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *