আকাশ থেকে নেমেই জলজ্যান্ত, হরিণকে নিয়ে উড়ে গেল ঈগল, যা এখন সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল- রইল ভিডিও

হরিণ কেরভিডায়ে পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা স্তন্যপায়ী প্রাণী। বল্গা হরিণ, মায়া হরিণ, সম্বর হরিণ এবং চিত্রা হরিণ এদের কিছু উদাহরণ। চাইনিজ ওয়াটার ডিয়ার এবং মাদি রেইনডিয়ার জন্ম নেয় এবং প্রতিবছর নিজের শিং নিজে নিজেই কেটে ফেলে।

এইভাবে তারা নিজেদেরকে শিং ওয়ালা পশুদের কাছ থেকে একেবারেই বদলে ফেলে যেমন, এন্টিলোপ; এরা সাধারণ হরিণদের মতোই। এশিয়ার মাস্ক ডিয়ার এবং আর্দ্র ‌আফ্রিকার ওয়াটার চেভ্রোটেইন (অথবা মাউস ডিয়ার)দের কে আসল হরিণ ধরা হয়না কেননা তারা কেরভিডায়ে পরিবার বাদ দিয়ে নিজেদের আলাদা আলাদা পরিবার গঠন করে।

যদিও একই রকম দেখতে তবুও এন্টিলোপ থেকে এদের পার্থক্য রয়েছে অনেক যেমন তাদের শিং নিয়মিতই গজায়। শারীরিকভাবে হরিণের অনেক বৈচিত্র্য দেখা যায়। সবচেয়ে বড় হরিণ হল চামরি গাই যেটা প্রায় ২.৬ মিটার (৮.৫ ফু) লম্বা এবং ওজন হয় ৮০০ কিলোগ্রাম (১,৮০০ পা)। ঈগল একপ্রকার বৃহৎ আকার, শক্তিধর, দক্ষ শিকারি পাখি।

ঈগল সাধারণত বনে বা ঘন জঙ্গলে বসবাস করে থাকে। বানর, ছোট জাতের পাখি, টিকটিকি, হাস-মুরগী খেয়ে জীবনধারণ করে থাকে। একটি পূর্ণবয়স্ক ঈগলের ওজন প্রায় ৩০ কেজি এবং লম্বায় প্রায় ৩০-৩৫ ইঞ্চি হয়ে থাকে।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো একটি পূর্ণবয়স্ক সুস্থ ঈগল ১১,০০০ ফুট উপরে উঠতে পারে। শীতকালে এরা তুলনামুলক কম শীত এলাকা বা দেশে চলে যায়। নখগুলো এতই তীক্ষ্ণ যে নিমিষের মধ্যে শিকারকে ছিন্নভিন্ন করে দেয়।

তবে এরা এখন বিলুপ্তির পথে। বাংলাদেশে এদের দেখা পাওয়া যায়না বললেই চলে। যদিও বাংলাদেশে একসময় সাদা বুকের সমুদ্র ঈগল (Haliacetus Leucogaster), কুড়া বা পলাশ মেছো ঈগল (Haliacetus leucoryphus),

কুল্লে বা সাপখেকো ঝুঁটি ঈগল (Spilornis cheela) ছোটনখের ঈগল দেখা যেত কিন্তু অধুনা তারা বিলুপ্তির পথে। হরিণের মাংস সকলের কাছে অনেক ‍প্রিয়। আকাশ থেকে নেমেই জলজ্যান্ত, হরিণকে নিয়ে উড়ে গেল ঈগল, যা এখন সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল।

Leave a Reply

Your email address will not be published.