২০৩০ সালের মধ্যে কমলাপুর থেকে নারায়ণগঞ্জ মেট্রোরেল নির্মাণ করা হবে

২০৩০ সালের মধ্যে কমলাপুর থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইনের পাশ দিয়ে প্রায় ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ উড়াল মেট্রোরেল নির্মাণ করা হবে। একই সময়ের মধ্যে গাবতলী থেকে চিটাগাং রোড পর্যন্ত উড়াল ও পাতালের সমন্বয়ে ২৪ কিলোমিটার মেট্রোরেল নির্মাণ করা হবে।

পিপিপি পদ্ধতিতে প্রকল্প বাস্তাবায়নের লক্ষ্যে জাপান ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে সহযোগিতা স্মারক সই হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন-২ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ইতোমধ্যেই নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে মাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন- ২ নির্মাণের লক্ষ্যে প্রিলিমিনারি স্টাডি চলছে। একইভাবে এমআরটি লাইন-৪ নির্মাণের উদ্যোগ প্রক্রিয়াধীন আছে।

পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও-সচিব) সুলতানা আফরোজ গণমাধ্যমকে বলেন, পিপিপির আওতায় গাবতলী থেকে চিটাগাং রোড পযর্ন্ত উড়াল ও পাতালের সমন্বয়ে ২৪ কিলোমিটার মেট্রোরেল নির্মাণ করা হবে।

এছাড়া কমলাপুর থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্তও একটা পরিকল্পনা রয়েছে। ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, ভবিষ্যতে নারায়ণগঞ্জ শহরের মধ্যে দিয়ে মিডল রিং রোড, হাই স্পিড রোড, লাইট রোড ইত্যাদি মেগা প্রকল্পের পরিকল্পনাও রয়েছে।

এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সুষ্ঠু সমন্বয়ের প্রয়োজন হবে। জনসংখ্যা ও আয়তনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নারায়ণগঞ্জ নগরীর জন্য একটি বিস্তৃত পরিবহন পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হলে এতে উল্লিখিত সব বিষয় সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

অফিসে সময়মতো পৌঁছানো নির্ভর করে রাস্তার ওপর। অনেকে গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ট্রেনে করে কমলাপুরে এসে সেখান থেকে বাসে করে গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়।

মেট্রো চালু হলে মানুষ গন্তব্যে সহজ ও দ্রুত সময়ে পৌঁছে যেতে পারবে। এতে ঢাকার মানুষ অফিস শেষে পাশের শহরে চলে যেতে পারবেন। এতে ঢাকা শহরের ওপর মানুষের চাপ কমবে।

এটাসহ ঢাকা মহানগরী ও পার্শ্ববর্তী এলাকার যানজট নিরসনে ও পরিবেশ উন্নয়নে অত্যাধুনিক পণপরিবহন হিসেবে এটা দিয়ে ছয়টি মেট্রোরেল সমন্বয়ে ডিএমটিসিএল-এর আওতায় মোট ১২৮ দশমিক ৭৪১ কিলোমিটার মেট্রোরেল নির্মাণ করা হবে।

এর মধ্যে উড়াল ৬৭ দশমিক ৫৬৯ কিলোমিটার এবং পাতাল ৬১ দশমিক ১৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ। মেট্রোরেলে মোট ১০৪টি স্টেশন থাকবে। এর মধ্যে উড়াল ৫১টি এবং পাতাল ৫৩টি।

এদিকে ২০.১ কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেল বা এমআরটি লাইন-৬ এর নির্মাণ কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এমএন সিদ্দিক গণমাধ্যমকে বলেন, পিপিপি পদ্ধতিতে দুটি মেট্রোরেল নির্মাণ করা হবে। আমরা প্রাথমিকভাবে কাজ শুরু করে দিয়েছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *