দেখুন ৩০০ কেজি ওজন ও ১০ ফুট লম্বা ওজনের পাংগাস ধরলেন এক যুবক, ভিডিওটি তুমুল ভাইরাল।

মাথাটি মুখের কোণের পিছনে তার দৈর্ঘ্যের সমান বিস্তৃত। তুন্ড প্রায় গোলাকার। চোখ সরু চর্বি গঠিত পাতাযুক্ত এবং আংশিকভাবে মুখের কোণের নিচের স্তরে অবস্থিত। বক্ষকাটা পৃষ্ঠকাটার তুলনায় অধিক শক্তিশালী যা

সম্মুখে ধারালো কিন্তু পশ্চাতে ছোট ছোট দাঁতযুক্ত। পুচ্ছপাখনা দ্বিবিভক্ত। চর্বিযুক্ত পাখনা ছোট। পার্শ্বরেখা সম্পূর্ণ 1964) দেহের পৃষ্ঠভাগ ঈষৎ হলুদাভ-সবুজ, পার্শ্বদিক থেকে রুপালি রক্তবর্ণের প্রতিফলন আসে, মাথার

পার্শ্বভাগ সোনালি আভাযুক্ত, পাখনাগুলো হালকা লালচে-হলুদ বর্ণের হয়। সাধারণত দেহের উপরিভাগে অাঁশযুক্ত, ফুলকাবিশিষ্ট জলচর মেরুদন্ডী প্রাণী। মাছকে চারটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়, যথা: এবং –

তে অন্তর্ভুক্ত আদিম চোয়ালহীন এবং বিলুপ্ত চোয়ালযুক্ত বিলুপ্ত বর্মাবৃত মাছ;- হাঙর, রে (Ray) ও অন্যান্য কোমলাস্থির মাছ, যাদের সবগুলিরই প্রধানত কোমলাস্থিময় কংকাল থাকে; এবংঅস্থিময় মাছ, যাদের সিংহভাগই

খাবার উপযোগী। কতগুলি জলজ অমেরুদন্ডী প্রাণীর নামের সঙ্গে ‘মাছ’ নাম ব্যবহার করলেও সেগুলি প্রকৃত মাছ নয়। উদাহরণ হিসেবে, কাটলফিশশ্রেণীর , অক্টোপাসের সগোত্র), জেলিফিশ স্টারফিশ বা তারামাছ ও

শেলফিশ (অয়েস্টার ও ক্ল্যাম জাতীয় এবং ক্রে-ফিশ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।অস্থিময় মাছ দুই দলে বিভক্ত: মাংসল পাখনাযুক্ত ও পাখনারশ্মিযুক্ত। জীবিত মৎস্য প্রজাতির ৯০ শতাংশের বেশি শেষোক্ত দলভুক্ত। আদিম অস্থিময়

মাছেরও মাংসল পাখনা ছিল। ব্যাপক খরা ও জলাবদ্ধতার সময় এদের উৎপত্তি এবং এগুলি থেকেই উভচর (ডাঙ্গার প্রথম মেরুদন্ডী) ও পাখনারশ্মিযুক্ত মাছের উদ্ভব বলে মনে করা হয়। মাংসল পাখনাযুক্ত মাছের মধ্যে এখনও টিকে আছে লাংফিশ ।

এদের মধ্যে সিলাকান্থ মাছের একটিমাত্র প্রজাতি টিকে আছে। এদের দেহে রয়েছে আদিম অস্থিময় মাছের কিছু কৌলিক চিহ্ন ধারক হাড়সহ মাংসল পাখনা (ভূচর মেরুদন্ডীদের উপাঙ্গের পূর্বসূরি), অভ্যন্তরীণ নাসারন্ধ্র ও

ফুসফুস। বর্তমানে স্বাদু ও লোনা পানির পাখনারশ্মিধর মাছেরাই উন্নত শ্রেণীর মাছদের প্রতিনিধি। এরাই মাছের মধ্যে সর্বাধিক সফল ও বৈচিত্র্যময়, যাদের প্রায় সকলেরই সম্ভবত ফুসফুস থেকে পটকার উদ্ভব ঘটেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *