সিদ্ধার্থের সাথে জঘন্য ব্যবহার করেছিলেন সলমন! রাগে ফুঁসছেন প্রয়াত অভিনেতার অনুরাগীরা

ফের অকাল প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বলিউড। আজ সকালেই আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় বিগবস ১৩ এর বিজয়ী তথা জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেতা সিদ্ধার্থ শুক্লার৷ মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪০ বছর।

মুম্বইয়ের কুপার হাসপাতাল সূত্রে খবর ঘুমের মধ্যে একটি ওষুধ খেয়েছিলেন তিনি, এরপর আর সেই ঘুম ভাঙেনি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ময়না তদন্তের পরেই অভিনেতার দেহ তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে।

স্বভাবতই শোকের ছায়া নেমেছে বিনোদন জগতে। সকাল থেকেই সিদ্ধার্থের নানান ছবি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে নেটপাড়ায়। অনুরাগীরা পুরোনো মুহুর্ত খুঁজে এনে ভিজিয়ে ফেলছেন চোখের কোণ৷ কিন্তু ঠিক এই সময়েই

এমন একটি ভিডিও সামনে এসেছে যা দেখে রেগে আগুন প্রয়াত অভিনেতা সিদ্ধার্থের ভক্তরা। ভাইরাল ভিডিওটি আসলে বিগবস ১৩ এর ক্লিপিংস। যেখানে দেখা যাচ্ছে সিদ্ধার্থ শুক্লার উপর মেজাজ হারিয়ে চেঁচিয়ে

কথা বলছেন বলি ভাইজান সলমন খান (Salman khan)। বলাইবাহুল্য সিদ্ধার্থের মৃত্যুর পর এই সল্লু ভাইয়ের এই আচরণ দেখে বেশ ক্ষুব্ধ নেটিজেনদের একাংশ৷

আমরা সকলেই জানি, সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পরেও সলমান খানের বিরুদ্ধে বয়কটের ডাক উঠেছিল। মনে করা হয় অভিনেতাকে মেন্টালি হ্যারাস করেছিলেন ভাইজান, এবং তার জন্যেই সুশান্তের অনেক ছবি হাতছাড়াও নাকি হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার সকালেই ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক হয় অভিনেতার ৷ মুম্বইয়ের কুপার হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা করা যায়নি ৷ কোনও চিকিৎসার সুযোগই পাওয়া যায়নি ৷

তার আগেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ডাক্তাররা ৷ বয়স হয়েছিল ৪০ বছর ৷ ১৯৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর মুম্বইয়ে জন্ম সিদ্ধার্থ শুক্লার। ইন্টিরিয়ার ডিজাইনিং এর ছাত্র সিদ্ধার্থ পড়াশোনা শেষের পর বহু দিন একটি

ইন্টিরিয়ার ডিজাইনিং এর সংস্থায় কাজও করেছেন। সময়ের নিরিখে দেখতে গেলে সুশান্তের মৃত্যুর ঠিক এক বছরের মাথাতেই ফের নক্ষত্র পতন৷ সুশান্তের মৃত্যুর রিপোর্ট বলছে তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন।

এর ঠিক এক বছরের মাথাতেই আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সুশান্তের মৃত্যু মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। মুম্বইয়ের এক সম্ভ্রান্ত বংশে জন্ম হয় সিদ্ধার্থের । বাবা অশোক শুক্লা পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। তবে কর্মরত ছিলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কে। মা রীতা শুক্লা হোম মেকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *