তিন মাস ধরে মায়ের কঙ্কাল জড়িয়ে আছে বিড়াল ছানাটি, ছবি ভাই’রাল

মোটরসাইকেল চাপায় নি’হত হয় মা বিড়াল। তার ছোট্ট ছানাটি তবু মাকে ছাড়তে রাজি হয়নি। মায়ের কঙ্কাল জাড়িয়ে পার করে দিয়েছে তিন মাস!বিস্ময়কর ঘটনাটি ঘটেছে ভা’রতের পশ্চিববঙ্গ রাজ্যের কলকাতার শ্যামবাজারে।ফেসবুকে বুধবার এ ঘটনা তুলে ধরেন রাজীব সরকার অ’ভিমন্যু। তিনি পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় থাকেন।

তিনি জানান, এটি কলকাতার শ্যামবাজারের রাধামাধব গোস্বামি লেনের ঘটনা।সম্প্রতি ফেসবুকে ভাই’রাল হয়েছে বিড়ালছানার এই ছবি।যেখানে দেখা গেছে মাটিতে মিশে আছে মায়ের কঙ্কাল আর তাকে আঁকড়ে পরে আছে ছোট বিড়ালটি।অ’ভিমন্যু ফেসবুকে আরো জানান, বিড়ালটিকে এলাকায় কিটি নামে ডা’কা হয়।

স্থানীয়দের তথ্যমতে প্রায় তিন মাস মাকে সে হারিয়েছে। তবে ভুলতে পারেনি মাকে।স্থানীয়রা তার মায়ের ম’রদেহ ডাস্টবিনে ফেলে এলেও, তা মুখে করে নিয়ে নিজের কাছে রেখে দেয় সে। আশপাশের প্রতিবেশীদের ভাত-মাছ-দুধ খেয়ে আপাতত চলছে তার দিন।তবে মাকে ভুলতে পারেনি কিটি। রাতে প্রায় তার গোঙানি শুনতে পান স্থানীয়রা।

নিজের স্বা’মীকে প’রীক্ষা করার জন্য খাটের নিচে লুকিয়ে পড়ল স্ত্রী অ’তঃপর দূরে সরে যাওয়ার চে’ষ্টা করছো। তোমার আর ক’ষ্ট করা লাগবেনা। আমি ই তোমার থেকে দূরে সরে যাচ্ছি।

ভালো থেকো তুমি। একদিন এক স্ত্রী তার স্বা’মীকে প’রীক্ষা করার জন্য সিদ্ধান্ত নিলো।স্বামীর ঘরে ঢোকার শব্দ পেয়ে স্ত্রী খাটের নিচে লুকিয়ে পরল।পা শেই একটা টেবিলে একটা চিরকুট দেখতে পেয়ে ভ’দ্রলোকটি পড়তে শুরু করলেন।

স্ত্রী: তুমি এখন আর আমার কেয়ার নাওনা ভালোবাসোনা সময় দাওনা মনে হচ্ছে তোমার জীবনে অন্য কোনো মেয়ের আগমন ঘটেছে । চিড়কুট টি পড়ার পড়ে স্বা’মী পকেট থেকে ফোন বের করে কানে দিয়ে ই বলতে শুরু

করল জানু আপদটা বিদায় হয়েছে এখন রিলাক্সে থাকতে পারব।আমি এখন ই আসছি তোমার সাথে দেখা করতে।এসব বলে ফোনটা কেটে দিয়ে ড্রেস চে’ইঞ্জ করে রুম থেকে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পরল। এসব শু’নতে শু’নতে স্ত্রী মুখ চেপে কান্না করতে লাগলেন।

স্বা’মী চলে যাওয়ার পরে বিছু’ক্ষণ পরে খাটের নিচ থেকে বেরিয়ে এলেন।খাটের উপর একটি চিড়কুট পেলে লেখাটা পড়ে অবাক হয়ে গেলেন।তাতে লেখা ছিলো পাগলী বউ একটা।খাটের নিচে তোমার পা গু’লো দেখা যা’চ্ছিল্লো আমি তো তোমার জন্য ই কা’জকর্মে যাই তোমার সুখের জন্য ই তো এত কষ্ট করি।

তবু তুমি ভুল বুঝো।আমি তোমায় অনেক ভালোবাসি।আমি কাউকে ই ফোন করিনি। বাজার থেকে মাংস আনতে যা’চ্ছি তুমি খাবার রেডি করতে থাকো তারপর একসাথে বসে খাবো কেমন।আমার পাগলী একটা। উ’ম্মাহ্

Leave a Reply

Your email address will not be published.