৫ বছরের শিশুর বছরে আয় বছরে ১২৮ কোটি টাকা!

পাঁচ বছরের এক শিশু বছরে ইউটিউব থেকে আয় করে প্রায় ১২৮ কোটি টাকা। সম্প্রতি ফোর্বস ম্যাগাজিনের প্রকাশিত তালিকায় দেখা যাচ্ছে, সবচেয়ে বেশি আয়কারী ইউটিউবারের তালিকায় ঢু’কে পড়েছে পাঁচ বছরের আনাস্তাসিয়া রাডজিনস্কায়া।

আনাস্তাসিয়া, ইন্টারনেটে ন্যাস্তিয়া নামেও পরিচিত। ন্যাস্তিয়ার পরিবার অন্তত ছয়টি ইউটিউব চ্যানেল চালায়। যেখানে ন্যাস্তায়ি ও তার বাবা মিলে বিভিন্ন গেম, নার্সারি স্তরের কবিতা আবৃত্তি, ভালো আচ’রণ সম্পর্কিত ভিডিও আপলোড করে।

ইউটিউবে ন্যাস্তিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় চ্যানেলটির সাবক্রা’ইবারের সংখ্যা এখন চার কোটি ২৪ লাখের বেশি। ফোর্বসের হিসেব অনুযায়ী, গত বছরছ’টি ইউটিউব চ্যানেল থেকে আয় হয়েছে এক কোটি ৮০ লক্ষ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১২৮ কোটি ১১ লাখ ৪১ হাজার টাকা)।

ন্যাস্তিয়ার জন্ম রাশিয়ার ক্রা’সনোদার এলাকায়। গত বছর তারা মা’র্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যায়। এখন তারা ফ্লোরিডার বাসিন্দা। তাদের জনপ্রিয়তা এমন জায়গায় পৌঁছে গেছে, যে বেশ কিছু বড় ব্র্যান্ড প্রচুর টাকার বিনিময়ে ন্যাস্তিয়ার স’ঙ্গে পার্টানশিপে কাজ করছে। এমনটাই দাবি করেছে কিছু সংবাদমাধ্যম।

উ’দ্ধার করা হলো কোটি টাকা মূল্যের সা’প! রে’ড স্যান্ড বোয়া নামের বি’ষহীন এই সা’প সচরাচর দেখতে পাওয়া যায় না। এই সা’পটি খুবই বিরল প্রজাতির। আন্তর্জাতিক বাজারে সা’পটির বিশাল চাহিদা রয়েছে, বিশেষ করে মালয়েশিয়া ও চীনে।

এটি অনেক দামি ওষুধ ও প্রসাধনী উৎপাদন এবং কালো জাদুতে ব্যবহৃত হয়। স্থানীয় বাজারে এর দাম ভারতীয় ৫-১০ লাখ রুপির মতো হলেও আন্তর্জাতিক বাজারে সা’পটির দাম বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় দেড় কোটি টাকা।

মূল্যবান সেই সা’পটি বিক্রি করতে এসে পুলিশের হাতে গ্রে’ফতার হয়েছে ৫ জন। তাদের মধ্যে ৩ জন আবার অ’প্রা’প্ত বয়স্ক। রোববার এই ঘটনা ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের নরসিংহগড়ে।

মধ্যপ্রদেশের পুলিশ জানায়,সেহোর জে’লা থেকে রে’ড স্যান্ড বোয়া সা’পটিকে এনেছিলো অ’ভিযুক্তরা। নরসিংহগড় বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে তারা যখন মোবাইলে সা’পটিকে বিক্রির জন্য দরা ক’ষাক’ষি করছিলো তখন তা শুনতে পায় পুলিশের ইনফর্মা’র।

তার কাছে থেকে খবর পেয়েই নরসিংহগড়ের পুলিশ এসে গ্রে’ফতার করে অ’ভিযুক্তদের। তাদের বিরু’দ্ধে ওয়াইল্ড লাইফ প্রোটেকশন আইনে মা’মলাও দায়ের করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *