অসাধারণ কায়দায় অরিজিৎ সিংয়ের গান গেয়ে মন জিতল অসহায় দরিদ্র কিশোর, ভাইরাল ভিডিও

বর্তমানে ক-‘র-‘ণা যুগে সোশ্যাল মিডিয়াই একমাত্র ভরসা। বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির উন্নতির যুগে আমরা নিজের হাতের মুঠোর স্মার্ট ফোনের মধ্যেই পুরো পৃথিবী কে পেয়ে গেছি।

ফোনের সাহায্যে বর্তমানে ব্যবসা-বাণিজ্য অফিসের কাজ এমনকি পুরো পৃথিবীর শিক্ষাব্যবস্থাও চলছে। সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলি নেওয়া হচ্ছে ফোনের মাধ্যমে।

এমনকি বিভিন্ন অফিসের কাজ ও ফোনের মাধ্যমে চলছে, যাকে আমরা নাম দিয়েছি “work-from-home”। বিজ্ঞানীরা বলছেন গত কয়েক বছরের মধ্যে এই ভাবেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবীর সিস্টেম চেঞ্জ হয়ে যাবে তখন শুধু ডিজিটালাইজেশন ছাড়া আর কিছু থাকবে না।

বর্তমানে এই সোশ্যাল মিডিয়াতে কাজে লাগিয়েই শিল্পীরা তাদের প্রতিভাকে তুলে ধরছেন পৃথিবীর সামনে। প্রতিভা প্রদর্শনের এই দৌড়ে আট থেকে আশি সবাই রয়েছেন এগিয়ে। কিন্তু সব সময় ছোট দের প্রতিভা গুলি আমাদের বেশি চোখে পড়ে কারণ বর্তমান যুগের ছোটরা অনেক এগিয়ে।

তাদের প্রতিভা গুলি দেখে সত্যিই আমরা অবাক হয়ে যাই। এক্ষেত্রে বিশেষ করে যেসব মানুষরা সুযোগের অভাবে তাদের প্রতিভা প্রদর্শন করার কোন সুযোগ পেতেন না, তারা সোশ্যাল মিডিয়াকে তাদের প্রতিভা প্রদর্শনের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করছে। মিডিয়ার শক্তির সব থেকে বড় উদাহরণ হল রানু মন্ডল।

ভবঘুরে হিসেবে ভিখারিদের সঙ্গে জীবনযাপন করতেন তিনি, এইসময় ভাইরাল হয়ে যায় তার গলায় গাওয়া একটি ভিডিও “এক পেয়ার কা নাগমা হে”। ছাড়া ভারতবর্ষজুড়ে ভাইরাল হয়েছে এই ভিডিও, এর পরে আর ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।

এরকম আরও উদাহরণ হলেন চাঁদমণি বিপাশা দাস প্রভৃতি। বর্তমানে স্ন্যাপ ভিডিও, টিকটক প্রভৃতি নানা অ্যাপ এর মাধ্যমে মানুষ তার ভিডিও তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে, যা হয়ে যায় তুমুল ভাইরাল।

এই ভিডিও গুলোর মধ্যে যেমন শিক্ষামূলক নাচ-গান প্রভৃতির ভিডিও থাকে, তেমনি থাকে দারুণ মজার মজার ভিডিও। তবে এইসব স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিওগুলি তৈরীর ক্ষেত্রে মজার ভিডিও থাকার সংখ্যাটাই বেশি।

বর্তমানে সমস্ত মানুষ বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীরা এবং যুবক-যুবতীরা এইসব অ্যাপ ইউজ করে নিজেদের ভিডিও তৈরি করে ভাইরাল হয়। আমাদের চারিদিকে এমন অনেক মানুষ আছে যাদের প্রতিভা থাকলেও উপযুক্ত সুযোগের অভাবে তা সুপ্ত থেকে যায়,

কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বর্তমানে সেই অসুবিধা দূর হয়েছে। বর্তমানে প্রত্যেককেই তাদের প্রতিভাকে বিশ্বের দরবারে প্রদর্শন করতে পারছেন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। এর সাথে এগিয়ে এসেছে অনেক সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যম,

ফেসবুক ইউটিউব এর অনেক চ্যানেল এসব মানুষের প্রতিভা যাতে সবার সামনে আনা যায় তার চেষ্টায় রয়েছেন ব্রতী। কখনো বা ছোট্ট বাচ্চার টাইটানিক সিনেমার “ইন দা নাইট ইন মাই ড্রিমস” গানটির পিয়ানো প্রদর্শন, কখনো বা কোন তালিম ছাড়াই ভবঘুরে ছোট মেয়ের অসাধারণ নাচ, বিভিন্ন প্রতিভা যা মানুষকে সব সময় তাক লাগিয়ে দিয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে এইসব ভিডিওগুলি সবসময়ই ভাইরাল হয়। সম্প্রতি ভাইরাল হলো এমন একটি ভিডিও। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটি ট্রেনের মধ্যে অনেক মানুষ ভিড়ে গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে আছেন। এর মধ্যে একটি ছোট্ট ছেলে “সনম রে” গানটি গেয়েছে।

বিখ্যাত সিনেমা “সনম রে”-এর এই গানটি মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সেই গানটি গেয়ে ছেলেটি মুগ্ধ করেদিল দর্শকদের।ভিড়ের মধ্যেও অত্যন্ত সুন্দরভাবে সকলের সামনে গানটি গেয়েছে সে। ছোট্ট ছেলের এত সুন্দর প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে গেছেন দর্শক।

চারিপাশ থেকে ভিড়ের মধ্যে সবাই বাচ্চাটিকে উৎসাহ দিচ্ছেন। বাচ্চাটির গলা মুগ্ধ করে দিয়েছে সবাইকে। একটি অফিশিয়াল ইউটিউব থেকে এই ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে। প্রায় হাজার হাজার মানুষ ভিডিওটি লাইক করেছেন।

হাজার হাজার মানুষ শেয়ার করেছেন ভিডিওটি। কমেন্ট করেছেন প্রায় হাজার জন মানুষ। প্রতিটি কমেন্টেই তারা এতো কম বয়সে এতো সুন্দর গলার প্রশংসা করেছেন সবাই।এই প্রতিভা সত্যিই তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো। যদিও অনেকেই সরকারকে অনুরোধ করেছেন

এইসব দরিদ্র শিশুদের প্রতি লক্ষ্য দেওয়ার জন্য। এই বয়সেই তাকে ট্রেনের মধ্যে গান করে খেটে খেতে হচ্ছে, যেখানে তার এই সময় পড়াশোনা করার কথা।

বিষয়টি অনেককেই ভাবিয়ে তুলেছে। অনেক মানুষ এই ব্যাপারে সরকারের দায়িত্ব কামনা করেছেন যেন শিশুদের এইভাবে এত কম বয়সে পেটের জ্বালায় পড়াশুনা ছেড়ে বেরিয়ে পড়তে না হয়। ছেলেটি যেন জীবনে অনেক উন্নতি করে এই আশাই করি আমরা। সোশ্যাল মিডিয়ার শক্তি এটাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *