বিচারক তারিক আনাম-চঞ্চল-পূর্ণিমা, বিজয়ীরা পাবেন কোটি টাকা!

দেশের যে কোনো প্রান্তের কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের নানান প্রতিভা বিকাশের সুযোগ করে দিচ্ছে ডিজিটাল এন্টারটেইনমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘টফি অ্যাপ’। এসব কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের নিয়ে চলছে ‘টফি স্টার সার্চ’ ট্যালেন্ট হান্ট

শো। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই শো’র মূল পর্বগুলোর বিচারক হয়েছেন বাঘা বাঘা তিন তারকা, অভিনেতা তারিক আনাম খান, চঞ্চল চৌধুরী ও পূর্ণিমা।

নাচ, গান, অভিনয়, খেলাধুলা বা অন্য যেকোনো প্রতিভায় পারদর্শী প্রতিযোগীরা তাদের কনটেন্ট জমা দিয়ে স্টার সার্চের বাছাই পর্বে অংশ নেয়।

কর্তৃপক্ষ জানায়, টফি অ্যাপে আপলোড করে প্রতিযোগিতাদের কনটেন্ট থেকে সর্বোচ্চ ভিডিও রিঅ্যাকশনের সংখ্যার ভিত্তিতে আটটি বিভাগ থেকে প্রাথমিকভাবে ৪৫০ জন প্রতিযোগী স্টুডিও রাউন্ডে নির্বাচন করা হয়।

সেখান থেকে বিভিন্নভাবে মেধা যাচাই করে ৩০ প্রতিযোগী ফাইনাল পর্বে অংশ নেবেন। তাদের মধ্যে কোটি টাকার পুরস্কার প্রদান করা হবে। বর্তমানে চলছে সেরা ১০-এর প্রতিযোগিতা।

মূল পর্বের বিচারক হিসেবেই আছেন তারিক আনাম খান, চঞ্চল চৌধুরী ও চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। একটি বেসরকারি টিভিতে প্রচারের পাশাপাশি টফি অ্যাপেও স্টার সার্চ প্রচার হচ্ছে।

ঢাকার পার্শ্ববর্তী ধামরাইয়ের ফিল্ম ভ্যালিতে চলছে ‘টফি স্টার সার্চ’ প্রতিযোগিতা। সেখানেই কথা হয় অভিনেতা তারিক আনাম খানের সঙ্গে। চ্যানেল আই অনলাইনকে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের প্রতিভা অবিকশিত।

বিশ্ববাসী জানেনা এখানে কত প্রতিভা আছে! এখানে যারা অংশ নিয়েছে বেশীরভাগই তরুণ। তারা এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিজেকে বড় জায়গায় নেয়ার সুযোগ পাবে।

অন্য ক্যারিকুলাম চর্চার একটি ক্ষেত্র এ ট্যালেন্ট হান্ট। সবকিছু হচ্ছে টফির মাধ্যমে, কাজটি বেশ এনজয় করছি। চঞ্চল চৌধুরী বলেন, নতুন নতুন ছেলেমেয়েরা অসম্ভব ট্যালেন্ট।

শিল্প সাহিত্যের আকালের মধ্যে দিয়ে আমরা যাচ্ছি। শিল্প-সাহিত্য বিবর্জিত জাতীর আগামীতে কোনদিকে যাবে ধারণা করতে পারছি। এরমধ্যেই এমন ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতার আয়োজন সাধুবাদ জানাই।

আমাদের বিভিন্ন অঞ্চলের কিছু পরিবারের অভিনয়, নাচ, গান, আবৃত্তি, খেলাধুলাসহ মেধা বিকাশের চর্চা আছে। এই প্রতিযোগিতায় এসে এসব ছেলেমেয়েদের মেধা দেখে অনেকটা আস্থা ফিরে পেলাম।

চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা বলেন, ইউনিক প্রতিভা আছে এমন প্রতিযোগীকে প্রাধান্য দিচ্ছি। টফির মাধ্যমে প্রতিযোগী বড় প্ল্যাটফর্ম পাচ্ছে। সিনেমায় এসে আমার নাম মানুষের কাছে পৌঁছাতে পাঁচ থেকে ছয় বছর লেগেছিল।

কিন্তু এই রিয়্যালিটি শোর মাধ্যমে যারা শেষ পর্যায়ে বাদ পড়বে তারাও মানুষের কাছে পৌঁছুবে। তবে দর্শক কাকে গ্রহণ করবে সেটা দর্শকের ব্যক্তিগত ব্যাপার। এছাড়া শুরুর দিকে জুরি হিসেবে ছিলেন মামুনুর রশীদ, শতাব্দী

ওয়াদুদ, ভাবনা, উর্মিলা, প্রতীক হাসানসহ একঝাঁক জনপ্রিয় শিল্পী শুরুর দিকে প্রতিভাবানদের খুঁজে বের করেন। প্রতিযোগিতার দায়িত্বে থাকা টফি অ্যাপের হেড অব কনটেন্ট তানভীর হোসেন প্রবাল বলেন, এক কোটি টাকার পুরস্কার দিচ্ছি।

শুধু একজন নয়, ত্রিশজন পাবেন। প্রথম পুরস্কার ২৫ লাখ, দ্বিতীয় ১৫ লাখ এবং তৃতীয় পুরস্কার ১০ লাখ টাকা। এছাড়া বিভিন্ন অ্যামাউন্টের পুরস্কার থাকছে। এখান থেকে যারা বিজয়ী হবে তাদের সঙ্গে টফির চুক্তি থাকবে। তারা যে যেসব প্রতিভার মাধ্যমে আসবে তারা সেসব কাজ করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.