এ টি এম শামসুজ্জামানের পরিবারের আক্ষেপ

আজ (২০ ফেব্রুয়ারি) বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০২১ সালের এই দিনেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি।

এক বছরেই একুশে পদকপ্রাপ্ত এই অভিনেতাকে ভুলতে বসেছেন তার সহকর্মীরা, আক্ষেপ পরিবারের। এ টি এম শামসুজ্জামানের স্ত্রী রুনি বলেন, ‘৬০ বছর যে মানুষটা ইন্ডাস্ট্রির জন্য কাজ করল,

মৃত্যুর এক বছরে তার পরিবার কেমন আছে, সে খবর কেউ নেয়নি। সিনেমা-নাটকের কেউই না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ টি এম শামসুজ্জামানকে নিয়ে সিনেমা কিংবা নাটকের কেউ আয়োজন করেছেন,

এমন কোনো খবরও আমাদের কাছে নেই। আমরা পারিবারিকভাবে কোরআন খতম, এতিমদের খাওয়ানো ও দোয়া মাহফিল করেছি।’ এ টি এম শামসুজ্জামান ছিলেন একাধারে কাহিনিকার,

সংলাপ রচয়িতা, চিত্রনাট্যকার, চলচ্চিত্র পরিচালক এবং অভিনেতা। ১৯৬১ সালে উদয়ন চৌধুরীর বিষকন্যা চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান তিনি।

১৯৬৫ সালে চলচ্চিত্রের জন্য প্রথমবার চিত্রনাট্য লেখেন। সিনেমার নাম ‘জলছবি’। একই বছরে অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু করেন। প্রথম অভিনীত ছবি ‘ন্যায়ী জিন্দেগী’; যা শেষ পর্যন্ত সমাপ্ত হয়নি।

এরপর ১৯৭৪ সালে তিনি আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘নয়নমণি’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এরপর বহু সিনেমায় নিজের অভিনয়গুণে দর্শকমহলে জায়গা করে নেন। পরবর্তীতে টিভি নাটকে অভিনয় করেও তুমুল প্রশংসিত হন। তিনি একুশে পদকসহ বহুবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.