‘ইসলামি হুকুমত’ বাস্তবায়নের হুংকার দিলেন মামুনুল হক

এবার ‘ইসলামি হুকুমত’ বাস্তবায়নের হুংকার দিলেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক।

রবিবার বিবিসিতে প্রকাশিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রচেষ্টা সফল হলে, ইসলামি হুকুমত বাস্তবায়িত হলে, ভাস্কর্য সরিয়ে না ফেলার কোন অবকাশ থাকবে না।’

এদিকে হেফাজতের কার্যক্রম নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে পৃথক এক সংবাদ সম্মেলন করেন হাক্কানি আলেমরা। তারা বলেন, ‘আমরা ইসলামকে হেফাজতের হাতে ছেড়ে দিতে পারি না।

’ নিজেদের নিবন্ধিত সংগঠন হিসেবে দাবি করে হেফাজত নেতা মামুনুল হক বলেন, ‘যদি ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে ইসলামী আইন অনুসারে দেশে ভাস্কর্য রাখার কোনো অবকাশ থাকবে না।’

এদিকে হেফাজতের কার্যক্রম ও ভাস্কর্যের বিষয়ে হাক্কানি আলেম ও মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল হাকিম চৌধুরী বলেন, ”ভাস্কর্যের কয়েকটি দিক রয়েছে। ভাস্কর্যের সাংস্কৃতিক, ধার্মিক এবং রাজনৈতিক দিক আছে। ধর্মীয় দিক থেকে বলতে গেলে, আমরা আমাদের ছোট বাচ্চাদের পুতুল কিনে দেই।

সেটা কিন্তু ভাস্কর্যের অংশ বিশেষ। আমাদের প্রিয়জনদের ছবি আমরা ঘরে টানিয়ে রাখি, সেটাও ভাস্কর্যের অংশ।” এই আলেম বলেন, ”হেফাজত ভাস্কর্য নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছে, তার মধ্যে একটি বিশেষ উদ্দেশ্য রয়েছে। তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছে।

মামুনুল হকের পিতা আল্লামা শায়খুল হাদিসকে নিয়ে আমরা কওমি স্বীকৃতির জন্য আন্দোলন করেছিলাম। বঙ্গবন্ধু কন্যা আমাদের স্বীকৃতি দিয়েছেন। আমরা তাকে কওমি জননী বললাম। আমাকে কিছু বললেও সংবাদ সম্মেলন করে, রাস্তায় দাঁড়িয়ে মায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে পারি না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *