অবশেষে পরিচয় পাওয়া গেল স্ত্রী’র সঙ্গে ভাই’রাল সেই আ’মেরিকান দম্পতির!

স্ত্রী’র সঙ্গে ছবি তুলে ভাই’রাল হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত আ’মেরিকান দম্পতি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাই’রাল হওয়া বেশ কিছু ছবিতে দেখা গেছে, ওই দম্পতি বিবাহবার্ষিকী’তে কেক কে’টেছেন।

আবার কোথাও ঘুরতে বেরিয়ে ফটোসেশন করছেন। ছবিগুলো বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আ’মেরিকান নাগরিক টম ই’মাম ও তার স্ত্রী’ মিষ্টি ই’মামের। টম ই’মাম পড়াশোনা করেছেন শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

পরে তিনি আ’মেরিকা পাড়ি জমান। সেখানে আ’মেরিকান নারীকে বিয়ে করেন। তার স্ত্রী’ মা’রা যাওয়ার ২০ বছর পর তিনি মিষ্টি ই’মামকে বিয়ে করেন। সম্প্রতি বিবাহবার্ষিকী’ অনুষ্ঠানের ছবি ফেইসবুকে পোস্ট করলে তা ভাই’রাল হয়ে যায়।

গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এনিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এদিকে, ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ছবি নিয়ে সমালোচনা করায় এনিয়ে বির’ক্ত প্রকাশ করেছেন টম ই’মাম।

শুক্রবার (২৫ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে স্ট্যাটাস দিয়ে বিষয়টি নিয়ে বড়াবাড়ি না করতে নিষেধ করেছেন তিনি।ফেসবুকে টম ই’মাম লিখেছেন, কয়েকদিন যাবৎ আমি লক্ষ্য করছি, অনেক লোকজন আমাকে এবং আমা’র স্ত্রী’র ফেসবুক আইডি থেকে স্ক্রিনশট দিয়ে অনেক ছবি ভাই’রাল করছেন।

সাথে অনেক খা’রাপ মন্তব্যও করেছেন। এগুলো কি আপনাদের ঠিক হলো? তিনি আরও লিখেছেন, অনেকেই জানতে চাচ্ছেন-কে টম ই’মাম? তাহলে বলি-আমি একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আ’মেরিকান নাগরিক।

আমা’র আগের স্ত্রী’ আ’মেরিকান নাগরিক ছিলেন এবং সে ১০ বছর ধরে অ’সুস্থ থাকার পর ২০১১ সালের মা’রা যায়। এরপর আমি আমা’র সন্তানদের মানুষ করার জন্য আর বিয়ে করিনি। সব মিলিয়ে ২০ বছর আমি ত্যাগ করেছি। তারপর আমি বাংলাদেশি একজনকে বিয়ে করি।

তিনি লিখেছেন, আমি আমা’র স্ত্রী’কে ভালোবাসি এবং সেও আমাকে ভালোবাসে। ভালোবাসার কোন বয়স নেই। ভালোবাসা অন্ধ হয় যদি আপনি কাউকে হৃদয় থেকে ভালোবাসেন। দয়া করে আমি যেমন আপনার পরিবারকে শ্রদ্ধা করি তেমন আমা’র পরিবারকে শ্রদ্ধা করুন।

জানা গেছে, টম ই’মাম ও স্ত্রী’র মিষ্টি ই’মাম দুজনই বাংলাদেশী নাগরিক। টম বাংলাদেশেই শিক্ষা জীবন শেষ করে আ’মেরিকা পাড়ি জমান। বর্তমানে তিনি সেখানকার নাগরিক এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।

তিনি এইচএসসি পটুয়াখালী জুবলীে হাইস্কুল থেকে শেষ করে ১৯৭৮-১৯৮২ শিক্ষাবর্ষে রাজধানীর শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেন। পরে তিনি আ’মেরিকা চলে যান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *