হা’রানোর দিনে আব্দুল কাদেরের ‘অজানা গল্প’ জানালেন সুবর্ণা মোস্তফা

Sabbir Rahman 0

ক্যা’ন্সা’রে ভু’গে মা;রা গেছেন দেশের জ’নপ্রিয় অ’ভিনে’তা আবদুল কা’দের। শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকা’লে রাজধানী’র এভা’রকেয়ার হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন অব’স্থায় মা;’রা যান তিনি।

তুমুল জন’প্রিয় এই অ’ভি’নেতার মৃ;’ত্যু;তে শোকের ছায়া নেমে এ’সেছে শোবিজ অঙ্গনে। শোক প্রকা’শ ক’রেছেন প্রধান’মন্ত্রী শেখ হাসিনা। কথাসা;হিত্যিক হু’মায়ূন আহ;মেদের লেখা ‘কোথাও কেউ নেই’ ধারাবা;হিক নাট’কে ‘বদি’ চরিত্রে অ’ভিনয় করে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন আব্দুল কাদের।

সেই আলোচনার মাত্রা এতটাই ছিল যে ‘বা;কের ভাইয়ের’ বি’রুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী না দিতে আব্দুল কা;দেরের বাড়ির চার;পাশে পোস্টার লা;গানো হয়েছিল। পোস্টারে লেখা ছিল, ‘বদি তুমি সাক্ষী দিলে, ভাসবে তুমি খালে-বিলে’।

‘কোথাও কেউ নেই’ নাট’কে আ;ব্দুল কাদেরের সঙ্গে ছিলেন অ’ভিনেত্রী সুবর্ণা মু’স্তাফা। যে;খানে সুবর্ণা অ’ভিনয় করেছিলেন বাকের ভাইয়ের প্রে’মিকা মোনা চরি;ত্রে এবং আবদুল কাদের ছিলেন বাকের ভাইয়ের সহ;যোগী বদি চরিত্রে।

দীর্ঘদিনের সহকর্মীর মৃ;ত্যু;র বেদ;না ছুঁ;য়ে গেছে তাকেও। সাংসদ এই অ’ভিনেত্রী আবদুল কা;দেরের সঙ্গে অনেক নাট’কেই এক;সঙ্গে কাজ করেছেন। সেই বদির মৃ’;ত্যু;র সংবাদ শুনে সুবর্ণা মু’স্তফা ফেসবুকে এক শো;ক;বার্তা দিয়েছেন।

সেখানে তিনি কাদেরের স্মৃ’;তি চারণা করে একটি অজানা গল্প জা;নালেন। সুবর্ণা লিখেছেন, ‘১৯৬৮ সালে ফরীদি (অ’ভিনেতা হু’মায়ূন ফরীদি) আর আমি ভা’রত যাচ্ছি;লাম। সেই যাত্রার ফ্লাইট ছিলো পরদিন।

আগেরদিন দরজায় নক পড়লো। দরজা খুলে দেখি কাদের ভাই দাঁ;ড়িয়ে আ;ছেন ক্যা;মেরা হাতে নিয়ে। তিনি সেটা আমা;দের দিয়ে বললেন, ‘ভা’রত যাবা, সুন্দর সুন্দর জায়গা দেখবা আর ছবি তুলবা….’। এই হলো কাদের ভাই।

বলার অ’পেক্ষা রাখে না যে আমাদের তখন কোনো ক্যামেরা ছিলো না। কাদের ভাই কেমন করে সেটা জানতে পেরেছিলেন আজো আমি সেটা জানতে পারিনি। জীবনের দারুণ এক স্মৃ’তি হয়ে রইলো এই ঘটনা।’

আব;দুল কা;দের ক্যা;ন্সারে আ’ক্রা;ন্ত ছি;লেন অনেক;দিন ধরে। ক্যা;ন্সা;র জটিল আকারে ছা;ড়িয়ে পড়েছিল সারা শরীরে। অবস্থা গুরু;তর হওয়ায় জ;রুরি ভিত্তিতে তাকে গেল ৮ ডি;সেম্বর ভা’র;তের চেন্না;ইয়ের ভেলো;র শ;হরের সি;মসি হাস;পাতা’লে নেয়া হয়।

তবে তাঁর র’ক্তের হিমো;;গ্লোবিন কমে যা;ওয়ায় কে;মো;থেরাপি দেওয়া সম্ভব নয় বলে জা;নিয়ে দেন ভা’;রতের চিকিৎসকরা। পরে তাঁকে দেশে ফিরিয়ে এনে রা;জধা;নীরএভা’র কেয়ার হাসপা;লে ভর্তি করা হয়। সেখানে চল;ছিল তাঁর চিকিৎসা। অবশে;ষে সব চিকিৎসার ঊ;র্ধ্বে চলে গেলেন তিনি। নিভে গেল দারুণ উচ্ছ্বা;সে ভরা এক প্রা’ণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *