সকল এয়ারলাইন্সকে কোঠর নির্দেশ, এই ভুল দ্বিতীয়বার করলে ফ্লাইট বাতিল করবে সরকার

দেশী-বিদেশী কোনো এয়ারলাইন্স করোনা নেগেটিভ সনদ ছাড়া বিদেশ থেকে যাত্রী আনলেই ওই এয়ারলাইন্সকে জরি’মানা করা হবে। দ্বিতীয়বার একই ফল্ট করলে ওই এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বাতিল করা হবে।

সম্প্রতি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এমন কঠোর নির্দেশনা দেয়ার পরও সনদ ছাড়াই কোনো কোনো এয়ারলাইন্স এখনো যাত্রী পরিবহন করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সর্বশেষ শুক্রবার ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে করোনা পজেটিভ যাত্রী পাওয়ায় ওই এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষকে বিমানবন্দরের ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক পাঁচ লাখ টাকা জরি’মানা করা হয়েছে।

একই সাথে ওই ফ্লাইটের এক যাত্রী করোনা পজেটিভ হওয়ায় তাকেও ১০ হাজার টাকা জরি’মানা করেন বিমানবন্দর ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে করোনা প’জেটিভ রোগী বহন করলে প্রথমবার এয়ারলাইন্সকে নগদ টাকা জ’রিমানা করে সতর্ক করা হচ্ছে।

এরপরও যদি কোনো এয়ারলাইন্স নির্দেশনা অমা’ন্য করে একই ভু’ল করে তাহলে পরবর্তী সময়ে ওই এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বাতিল করা হবে। এমন নির্দেশনা দেয়া রয়েছে। তারপরও দেশী-বিদেশী কোনো-না-কোনো এয়ারলাইন্সের ফাইটে করোনা পজেটিভ যাত্রী আসছেই।

কাতার এয়ারওয়েজ ও বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেলে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট (কিউআর-৪১৯) হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা যাত্রীদের করোনা নেগেটিভ সনদ পরীক্ষা করার সময় একজন করোনা পজিটিভ যাত্রী পাওয়া যায়। এ সময় ওই যাত্রীকে দ্রুত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

শুধু কাতার এয়ারওয়েজ নয়, এর আগে একই অ’ভি’যোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, এয়ার এশিয়া, সাউদিয়া অ্যারাবিয়ান ও এমিরেটস এয়ারলাইন্সকেও জরি’মানা করা হয়েছিল।

গতকাল শনিবার সন্ধ্যার পর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান নয়া দিগন্তকে বলেন, করোনা পজেটিভ যাত্রী আনার অভি’যোগে শুক্রবার কাতার এয়ারওয়েজকে মাত্র পাঁচ লাখ টাকা জরি’মানা আর দুই প্যাসেঞ্জারকে ১০ হাজার টাকা জরি’মানা করা হয়েছে।

এখন কাতার এয়ারওয়েজকে চিঠি দিয়ে দিচ্ছি, পরবর্তী সময়ে যদি একই ধরনের ফ’ল্ট হয়, তাহলে তাদের তিন দিনের ফ্লাইট ক্যানসেল করে দেবো। তিনি বলেন, এমন নির্দেশনা আগেই দেয়া হয়েছে প্রত্যেক এয়ারলাইন্সকে। তারপরও কাতার এয়ারওয়েজ মনে হয় ভুল করে ফেলেছে। আমরা প্রথম দফায় তাদের জরি’মানা করেছি।

এখন আমরা কাতার এয়ারওয়েজকে চিঠি দিচ্ছি। দ্বিতীয় ফল্টের জন্য তাদের তিন দিন ফ্লাইট ক্যানসেল থাকবে। এরপরে যদি কোনো ফ’ল্ট ধরা পড়ে তাহলে এক মাস ফ্লাইট ক্যানসেল করা হবে। এটা দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে করা হয়েছে। কোনো এয়ারলাইন্সের সাথে আমাদের খাতির করার সুযোগ নেই।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বিমান, এয়ার এশিয়া ও এমিরেটসকে জ’রিমানা করা হয়েছে। সাউদিয়া অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্সকে দুই দফা জরি’মানা করা হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, রোববার সকালেই কাতার এয়ারওয়েজকে সতর্ক করে চিঠি দেয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমাদের তরফ থেকে নির্দে’শনা রয়েছে,

যে এয়ারলাইন্স নির্দেশনা ভায়োলেট করবে তাদের এক দিনের জন্য পরের দিনের একটা ফ্লাইট ক্যানসেল করে দেয়া হবে। এমন নির্দেশনা এয়ারপোর্ট অথরিটিকে বলে দিয়েছি। নেক্স ডে এমন হলে আমাকে জিজ্ঞাসা করার দরকার নেই, ইমপ্লিমেন্ট করে ফেলতে হবে। অর্থাৎ পরের দিনের ফ্লাইট অটো ক্যানসেল হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি থেকে এক বার্তায় বলা হয়েছিল, ‘গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ করা যাচ্ছে, কয়েকটি এয়ারলাইন্স যাত্রীদের পিসিআর-নির্ভর কোভিড-১৯ নেগেটিভ সার্টিফিকেট ছাড়া যাত্রী বহন করছে। এমন ঘ’টনাও ঘ’টেছে, করোনা পজিটিভ যাত্রীও নিয়ে এসেছে।’দেশী-বিদেশী কোনো এয়ারলাইন্স করোনা নেগেটিভ সনদ ছাড়া বিদেশ থেকে যাত্রী আনলেই ওই এয়ারলাইন্সকে জরি’মানা করা হবে।

দ্বিতীয়বার একই ফল্ট করলে ওই এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বাতিল করা হবে। সম্প্রতি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এমন কঠোর নির্দেশনা দেয়ার পরও সনদ ছাড়াই কোনো কোনো এয়ারলাইন্স এখনো যাত্রী পরিবহন করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সর্বশেষ শুক্রবার ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে করোনা পজেটিভ যাত্রী পাওয়ায় ওই এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষকে বিমানবন্দরের ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক পাঁচ লাখ টাকা জরি’মানা করা হয়েছে।

একই সাথে ওই ফ্লাইটের এক যাত্রী করোনা পজেটিভ হওয়ায় তাকেও ১০ হাজার টাকা জরি’মানা করেন বিমানবন্দর ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে করোনা প’জেটিভ রোগী বহন করলে প্রথমবার এয়ারলাইন্সকে নগদ টাকা জ’রিমানা করে সতর্ক করা হচ্ছে।

এরপরও যদি কোনো এয়ারলাইন্স নির্দেশনা অমা’ন্য করে একই ভু’ল করে তাহলে পরবর্তী সময়ে ওই এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বাতিল করা হবে। এমন নির্দেশনা দেয়া রয়েছে। তারপরও দেশী-বিদেশী কোনো-না-কোনো এয়ারলাইন্সের ফাইটে করোনা পজেটিভ যাত্রী আসছেই।

কাতার এয়ারওয়েজ ও বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেলে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট (কিউআর-৪১৯) হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা যাত্রীদের করোনা নেগেটিভ সনদ পরীক্ষা করার সময় একজন করোনা পজিটিভ যাত্রী পাওয়া যায়। এ সময় ওই যাত্রীকে দ্রুত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

শুধু কাতার এয়ারওয়েজ নয়, এর আগে একই অ’ভি’যোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, এয়ার এশিয়া, সাউদিয়া অ্যারাবিয়ান ও এমিরেটস এয়ারলাইন্সকেও জরি’মানা করা হয়েছিল।

গতকাল শনিবার সন্ধ্যার পর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান নয়া দিগন্তকে বলেন, করোনা পজেটিভ যাত্রী আনার অভি’যোগে শুক্রবার কাতার এয়ারওয়েজকে মাত্র পাঁচ লাখ টাকা জরি’মানা আর দুই প্যাসেঞ্জারকে ১০ হাজার টাকা জরি’মানা করা হয়েছে।

এখন কাতার এয়ারওয়েজকে চিঠি দিয়ে দিচ্ছি, পরবর্তী সময়ে যদি একই ধরনের ফ’ল্ট হয়, তাহলে তাদের তিন দিনের ফ্লাইট ক্যানসেল করে দেবো। তিনি বলেন, এমন নির্দেশনা আগেই দেয়া হয়েছে প্রত্যেক এয়ারলাইন্সকে। তারপরও কাতার এয়ারওয়েজ মনে হয় ভুল করে ফেলেছে। আমরা প্রথম দফায় তাদের জরি’মানা করেছি।

এখন আমরা কাতার এয়ারওয়েজকে চিঠি দিচ্ছি। দ্বিতীয় ফল্টের জন্য তাদের তিন দিন ফ্লাইট ক্যানসেল থাকবে। এরপরে যদি কোনো ফ’ল্ট ধরা পড়ে তাহলে এক মাস ফ্লাইট ক্যানসেল করা হবে। এটা দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে করা হয়েছে। কোনো এয়ারলাইন্সের সাথে আমাদের খাতির করার সুযোগ নেই।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বিমান, এয়ার এশিয়া ও এমিরেটসকে জ’রিমানা করা হয়েছে। সাউদিয়া অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্সকে দুই দফা জরি’মানা করা হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, রোববার সকালেই কাতার এয়ারওয়েজকে সতর্ক করে চিঠি দেয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমাদের তরফ থেকে নির্দে’শনা রয়েছে,

যে এয়ারলাইন্স নির্দেশনা ভায়োলেট করবে তাদের এক দিনের জন্য পরের দিনের একটা ফ্লাইট ক্যানসেল করে দেয়া হবে। এমন নির্দেশনা এয়ারপোর্ট অথরিটিকে বলে দিয়েছি। নেক্স ডে এমন হলে আমাকে জিজ্ঞাসা করার দরকার নেই, ইমপ্লিমেন্ট করে ফেলতে হবে। অর্থাৎ পরের দিনের ফ্লাইট অটো ক্যানসেল হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি থেকে এক বার্তায় বলা হয়েছিল, ‘গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ করা যাচ্ছে, কয়েকটি এয়ারলাইন্স যাত্রীদের পিসিআর-নির্ভর কোভিড-১৯ নেগেটিভ সার্টিফিকেট ছাড়া যাত্রী বহন করছে। এমন ঘ’টনাও ঘ’টেছে, করোনা পজিটিভ যাত্রীও নিয়ে এসেছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *