দু;পুর ১টা ২৫ মিনি;টে ভাইকে ফোন করে যা বলেছিল দিহান

দিহানের ভাই নি;লয় সর;কার তিনি বলেন, সকালে উঠে অফি;সে; চলে গি;য়েছি। বগু;ড়াতে আ;মা’র নানা অ’;সুস্থ, মা সেদিন সকালে নানাকে দেখতে বাড়ি থেকে বের হ;য়েছেন।

আমা’র এক চাচা আবার ওই;দিন;ই মা;’রা যান। রা;জশা;হীতে জানাজা হয়েছে। আমা’র বাবা সে;খানে ছি;লেন। বাসা সেদিন এক;দম ফাঁ;কা ছিল। হঠাৎ দু;পুর ১টা ২৫ মিনি;টের দিকে দিহান আমাকে ফোন দিয়ে কাঁদো কাঁদো স্বরে কথা বলে।

জী;বনে ও;কে আ;মি কখনও কা’ন্না করতে দেখিনি। ফোন দিয়ে বলে, ‘ভাই;য়া বাসায় বান্ধবীকে নিয়ে এসে;ছি;লাম। অ;’জ্ঞান হ;য়ে গেছে। হা;সপা;তা’লে নিয়ে যাচ্ছি। তুমি আসো, তুমি ছাড়া আ;মাকে কেউ বাঁ’চা;তে পা;রবে না।’

দিহানে;র ভা;ই আরও বলেন, আমি ভয় পে;য়ে যাই। তখনই আ;মা’র ক;র্ম;স্থল থেকে বের হয়ে এসে;;ছি। দি;হা;ন বার;বার ফো;ন দিচ্ছে ‘ভা;ইয়া তুমি দ্রুত আসো।’ পরে দুপুর ১টা ৫০-এর দিকে আ;বার ফো;ন করে।

তখন বলে, ‘ভাইয়া ও তো মা;রা গেছে’। তখ;ন আমি বলি, ‘কে মা;রা গে;ল ঠি;ক;ঠাক ম;তো বলো’। দিহা;ন বলে, ‘তুমি হা;স;পাতা’লে চলে আ;সো দ্রু;ত।’ উল্লেখ্য, বেরিয়ে এলো চা’ঞ্চ’ল্যকার তথ্য, বাসা ফাঁকা থাকলেই বান্ধ’বীদের এনে উ;ল্লাসে করতো দিহান

রাজধানীর কলা;বাগা;নের ড;লফিন গলি এলাকায় ধানমন্ডির মাস্টা;রমাইন্ড স্কুলের এক শি;ক্ষার্থী;কে পর অ’ভি;যো;গ পাও;য়া গেছে তার বয়;ফ্রেন্ড ফার;দিন ইফতে;খার দিহান ও তিন সহ;পাঠীর বি’রু;দ্ধে।

বৃহস্প;তিবার রাজধা;নীর কলাবা;গান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নি’;হ;ত ওই তরুণী (১৭) ও লেভে;লের শিক্ষা;র্থী ছিলেন। তার নাম আনুশ;কাহ নূর আমিন। নি;হ;ত শিক্ষার্থীর বোন জা;মাই শরী;ফ বলেন, সে স’;ম্প;র্কে আ;মা’র চা;চাতো শ্যা;লিকা।

এ বছর মা;স্টা;রমাইন্ড স্কুল থেকে ও-লে;ভেল প;রীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। বৃহস্প;তিবার দুপুর তি;নটার দি;কে কলাবা;গানের ডলফিন গলিতে কোচিং করতে গে;লে এ সময় তার এক বা;ন্ধবী মিথ্যা; প্র;লো’ভ;ন দেখিয়ে একটি; বা;সায় নিয়ে যায়।

এ সম;য় ওই বা;সাতে চার;জন মিলে তা;কে করে। যখন প্র;চন্ড র;ক্ত;পাত শুরু হয় তখন অ’ভি;যু’ক্ত ফার;দিন ইফ;তেখার দি;হান তাকে ধানমন্ডির আনোয়ার খান ম’র্ডান হাসপাতা’লে নিয়ে যায়।

প;রব;র্তীতে বি;কা;ল পাঁচটায় হা;সপাতা’লে চিকিৎসা;ধীন অব;স্থায় মা’রা যায়। ম’;র;দে;হ বর্ত;মানে ;ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাস;পাতা’লের ম’র্গে রয়েছে। এ বিষয়ে আম’রা মা’মলা করেছি।

চিকিৎসকরা জানান, শিকার আনু;শকা;হের শ;রীর থেকে অ;’তিরি;ক্ত র’;ক্ত;ক্ষ;রণ ;হচ্ছিল। তার পে;টের ডান পাশে আ’ঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে কলা;বাগান থা’না পু’লিশ ম’র;দে;হ উ’দ্ধা;র করে ময়;না;ত’দ;ন্তের জন্য ঢা;কা মেডিকেল ক;লেজ ম’;র্গে পাঠিয়ে;ছে।

তিনি বলেন, নি;’হ;ত শিক্ষার্থীর মা দক্ষিণ সি;টি করপো;রেশনে চা;করি ক;রেন। বাবা ব্যবসা;য়ী। তিন ;ভাই বো;নের মধ্যে সে ছিল বড়। ধান;ম;ন্ডি ৩২ নম্বরে পরি;বারের সদস্য;দের সঙ্গে থাক;তেন। নি;’হ;ত শিক্ষার্থীর মা জানা;ন, আমা’র মে’য়ে;কে বাসা থেকে ডেকে নি;য়ে যাওয়া হয়েছি;ল।

ও আমা;কে য;খন ফোন করে জা;নি;য়েছিল তখন আমি অ;ফিসে ছিলা;ম। আ;মা;কে জা;নায়, মা আমি ক্লাসের ওয়া;র্ক;সিট আ;নতে যা;চ্ছি। এই বলে গেছে। দুপুর একটার পরে একটি ছে’লে মু;ঠো;ফোন থেকে ফোন দি;য়ে জা;নায়, আমা’র মে’য়ে অ’জ্ঞান হয়ে গেছে।

ওকে হাসপাতা’লে নিয়ে এসেছি। আপনারা আসেন। পরব;র্তী;তে গি;য়ে দেখি মে’য়ে;র নি;থর দে;হ পড়ে আছে। ওকে হাসপাতা’লেই আ;না হয়ে;ছে মৃ;’ত। কলাবাগান থা’না;র ইন্স;পেক্টর (অ’পারেশন্স) ঠাকুর দাস বলেন, ওই ছা’ত্রীর বাসা রা;জ;ধানীর ধা;নমন্ডির সো;বহান;বাগে।

বৃহস্প;তিবার বেলা ১২টার দি;কে ওই ছা’ত্রী তার বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার কথা বলে বাসা থেকে বের হন। কলাবা;গানের ;ডলফিন গ;লিতে দিহা;নে;র বাসা;য় যান ওই ছা’ত্রী। দি;হা;নের বাসা তখন ফাঁকা ছিল। সেখা;নে ওই ছা;’ত্রী শি;কার হও;য়ার পর অ’;সু;স্থ হয়ে পড়;লে দিহান তার তিন বন্ধু;কে ফোন করে ডেকে আনে। পরে তারা অ’সুস্থ ছা’ত্রী;কে চিকিৎসার জন্য মডা;র্ণ আনোয়ার খান মেডি;কেল ক;লেজ হাস;পাতা’লে নি;য়ে যায়। সে;খানে বিকালে তার মৃ;’;ত্যু; হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *