তৈমুরের জন্য এলো বিয়ের প্রস্তাব, বিপাকে মা করিনা

Sabbir Rahman 0

করিনা কাপুর এবং শেফ আলী খানের পুত্র তৈমুর ছোট বয়সেই কাপাচ্ছে বলিউড। বাজারে তার ডিমান্ড থেকে এখন থেকেই বিপদে পড়েছেন তার বাবা-মা।

যদিও ছেলের এমন ক্রেজ থেকে গর্ব অনুভব করেন তারা। এই ছোট বয়সে তাঁর কাছে আসছে বিয়ের প্রস্তাব, এমনকি ছোট্ট তৈমুরের জন্য তারা অপেক্ষা করতেও রাজি।

বিয়ের প্রস্তাব টি আর কেউ নয় গ্ল্যামারাস এবং ট্যালেন্টেড ডান্স নোরা ফাতেহির কাছ থেকে তার এই দাবি শুনে রীতিমতো চমকে যান করিনা। নুরের বক্তব্য ছিল এই বিয়ে করলে তৈমুরের মত ড্যাশিং ছেলেকেই করবেন,

এই কথা শুনে করিনা বাকরুদ্ধ হয়ে যান। এদিকে নোরা বৌমা হতে চেয়ে নাছোড়বান্দা। এরপর করিনা হেসে ওঠে নোরা কে বলেন যে তৈমুরের বয়স অনেক কম তাই বিয়ে তো এখন দূরের ব্যাপার।

কিন্তু নোরার তাতেও আপত্তি নেই,তিনি বলেছেন তার জন্য যতদিন দরকার হয় তিনি অপেক্ষা করবেন শুধু তৈমুর যেন তাড়াতাড়ি বড় হয়ে যায়। এই ঘটনাটি ঘটেছে করিনাই রেডিও হোয়াট ওম্যান ওয়ান্টস এ।

এখানে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল নোরা ফাতেহি কে, তার সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন করিনা কাপুর খান। হঠাৎই করিনা কাপুর থাকে তার পছন্দের মানুষ সম্পর্কে তিনি জিজ্ঞেস করলেন তিনি বলেন তিনি তৈমুরকে বিয়ে করতে চান।

মজাদার হাসির মজার চলে দুজনের মধ্যে, এর সাথে করিনা নোরার নাচের প্রশংসা করেন।এছাড়াও ক্যারিয়ারের স্ট্রাগলের কথা, বলিউডে তাঁর প্রথম আগমনের কথা এসব চলে তার সাথে।

বিশেষ করে তিনি একজন বলিউডের নিউ কামার,সেখানে করিনার মত একজন বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে পাওয়া তার টিপস করলেই যথেষ্ট কাজে লাগবে বলে তিনি মনে করেন।

তবে তার তৈমুরকে বিয়ে করতে চাওয়ার এই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় হয়ে গেছে ভাইরাল। তার উত্তর শুনে সবাই হেসে লুটোপুটি। বর্তমানে বলিউডের স্টার কিড দের এর মধ্যে তৈমুর আছে এক নম্বর এ, সমস্তই রিপোর্টার এবং মানুষরা তার জন্য পাগল।

বাস্তবিক তৈমুরকে স্টাইল স্টেটমেন্ট বলা হয়, সুতরাং সবাই চাইবে তৈমুরের মত হাসবেন্ড এটা খুবই সাধারন ব্যাপার। তৈমুর সোশ্যাল মিডিয়ায় খুবই ফেমাস,বাবা মায়ের সাথে খুনসুটি, তার বেড়াতে যাওয়া সবই ভাইরাল হয় সব সময়।

কিছুদিন আগে ভাইরাল হয়েছিল বাবার সাথে চাষের ক্ষেতে তার কাজ করা, ছোট্ট তৈমুর কে দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন দর্শক। ছোটবেলা থেকেই এত ফেমাস, সবাই তাকে নায়ক হিসেবে দেখেছেন, পরবর্তীকালে বলিউডে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *