Breaking News
Home / সারা দেশ / স্বামীর পুরুষাঙ্গ কে’টে হাসপাতা’লে নিয়ে গেলেন স্ত্রী’

স্বামীর পুরুষাঙ্গ কে’টে হাসপাতা’লে নিয়ে গেলেন স্ত্রী’

Advertisement

পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামীর পু’রু’ষা’ঙ্গে ব্লে’ড চালিয়ে দিয়েছেন এক না’রী। পরে তিনি নিজেই তার স্বামীকে উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

পরে হাসপাতা’লে রেখে পালিয়েছেন।আ’হত ব্যক্তির নাম পলান সরকার (৩২)। তিনি নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজে’লার লক্ষ্মীপুর গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছে’লে।

রাজশাহীর বাঘা উপজে’লার হরিরামপুর গ্রামের ফয়েন উদ্দিনের মে’য়ে খদেজা খাতুনের (২৭) সঙ্গে কয়েক মাস আগে তার বিয়ে হয়। শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) সকালে বাবার বাড়িতেই এ কা’ণ্ড করেছেন খদেজা।

পলান সরকারকে উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতা’লে স্থা’নান্তর করা হয়েছে। চারঘাট উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মৌসুমী ই’স’লা’ম বলেন, ‘সকালে গুরুতর অবস্থায় পলান সরকারকে হাসপাতা’লে আনা হয়।’

তার পু’রু’ষাঙ্গ পুরোপুরি কাটেনি, কিন্তু খুব বাজেভাবে কে’টে গেছে। প্রচুর র’ক্তপাত হচ্ছিল। প্রথমে আ’হত ব্যক্তি স্বীকার করছিলেন না যে, তার স্ত্রী’ এই কাজ করেছেন।

পরে তিনি স্বী’কার করেন যে ব্লেড দিয়ে তার স্ত্রী’ কে’টে দিয়েছেন। এরপর থেকে আমি আর তার স্ত্রী’কে হাসপাতা’লে দেখতে পাইনি।’ আ’হত ব্যক্তি জানান, বিয়ের পর স্ত্রী’ বাবার বাড়িতেই থাকেন।

মাঝে-মধ্যেই পলান সরকার স্ত্রী’কে দেখতে শ্বশুর বাড়িতে আসতেন। কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে শুক্রবার ভোরে দুজনের ঝগড়া শুরু হয়। পরে তার স্বামী আবারও ঘুমোতে যান।

এই সুযোগে স্ত্রী’ খদেজা তার স্বা’মীর পু;রু;ষা;ঙ্গে ব্লে;ড চালিয়ে দেন। পরে র’ক্ত’ক্ষরণ শুরু হলে তাকে চারঘাট উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরবর্তীতে সেখানকার বারান্দায় ফেলে পালিয়ে যান।

বাঘা থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) নজরুল ই’স’লা’ম বলেন, ‘খবরটি জানার পর ঘটনাস্থলে পু’লিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘ’ট’নায় এখনো কেউ থা’নায় অ’ভিযোগ করেনি। অ’ভিযোগ পেলে আইনগত ববস্থা নেয়া হবে।’

Advertisement

Check Also

শেখ হাসিনার নির্দেশে ধান কাটতে মাঠে কৃষক লীগ

Advertisement প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ধান কাটতে মাঠে নেমেছেন কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ। আজ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *