আদো আদো গলায় দেশাত্মবোধক গান গেয়ে ভাইরাল ৪ বছরের খুদে, ব্যাপক ভাইরাল ভিডিও

বর্তমানে পৃথিবীর খবর জানার জন্য একমাত্র মাধ্যম হলো সোশ্যাল মিডিয়া। পৃথিবীর নানা অদ্ভু’ত আ’শ্চর্য ঘটনাবলী আমরা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দেখতে পারি ও জানতে পারি।

এমনকি সোশ্যাল মিডিয়াকে কাজে লাগিয়ে অনেক মানুষ তার সুপ্ত প্রতিভা কে বিশ্বের সামনে আনার সুযোগ পান। আমাদের দেশের কোন কোন এমন অনেক প্রতিভা আছে যারা উপযুক্ত সুযোগের অভাবে সুপ্তই থেকে যান, কিন্তু আজকাল সোশ্যাল মিডিয়া সেই অসুবিধা দূর করেছে।

আজকাল সোশ্যাল কিশোর কিশোরী ও যুবক যুবতীদের প্রাধান্য বেশি। নাচ গান প্রভৃতি ভিডিওর সাথে সাথে নানারকম অদ্ভু’ত ঘটনাও ভাইরাল হতে দেখা যায়, যা দেখে আমরা সত্যিই অ’বাক হয়ে যাই।

সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছিল জলের তলায় এক যুবকের নাচ, যে ইন্ডিয়াতে “ওয়া’টার ম্যান” নামেই পরিচিত। জলের তলায় অতক্ষণ ধরে নিঃ’শ্বাস আ’টকে তার নাচ দেখে সত্যিই অবা’ক হতে হয়।

কিন্তু ছোট বাচ্চারা ও কিন্তু এই দৌড়ে পিছিয়ে নেই, শি’শুদের প্রতিভা দেখলে সত্যিই অবা’ক হতে হয়। ছোট্ট তানি মুনির কথা তো আমরা সবাই জানি। এই বয়সেই তারা সোশ্যাল মিডিয়ার সে’ন্সে’শন।

এছাড়াও সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছিল ছয় বছর বয়সী এক যুবকের টাইটানিক সিনেমার “ইন দা নাইট ইন মাই ড্রিমস” গানের পিয়ানো বাজানো, ওইটুকু খুদের প্রতিভা সত্যিই আমাদের অবাক করেছিল।

বিশেষ করে এত ছোট বয়সে কোন উপযুক্ত তালিম ছাড়া এই ছোট্ট ছোট্ট খুদেদের প্রতিভা সত্যিই তাক লাগিয়ে দেয়ার মত। সম্প্রতি ভাইরাল হলো এমন একটি ভিডিও। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে একটি ছোট্ট মেয়ে, বয়স খুব বেশি হলে তিন কি চার,কিন্তু এই বয়সেই তার প্রতিভা দেখলে সত্যিই অবা’ক হতে হয়।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সে সকলকে গান গেয়ে শুনিয়েছে। প্রথম ভিডিওটিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি, সেই সকলকে অভিবাদন জানিয়ে গান গাওয়ার চেষ্টা করছে, কিন্তু ভুলে যাওয়ায় সে তার সামনে যিনি ক্যামেরা ধরে আছে তাকে বলছে গানটি বলে দিতে।

তারপর মিষ্টি গ’লায় সে সকলকে শুনিয়েছে “তেরি মিট্টি” গানটি, গানটি বিখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার ও পরিনীতি চোপড়া অভিনীত “কেশরী” সিনেমার অংশ। মিষ্টি গ’লায় তার গান মন জয় করে নিয়েছে সকলের।

আদো আদো গলায় তার গানটি শুনতে লাগছিল খুবই সুন্দর। এরপরে সে আরেকটি গান শুনিয়েছে “নান্না মুন্না রাহি হো”, ছোট ছোট খু’নসু’টির সাথে তার গান দর্শককে করে দিয়েছে মু’গ্ধ। এই বয়সেও তার প্রতিভা মন জয় করে নিয়েছে সকলের। এইসব বাচ্চাদের প্রতিভা দেখে সত্যিই অবা’ক হতে হয়।

বাবা-মায়ের উচিত লেখা পড়ার সাথে সাথে এক্স’ট্রা কারি’কুলাম এর দিকে লক্ষ্য রাখার, কারন একটি শি’শুর মধ্যে কোন বিষয়ে প্রতিবাদ লুকিয়ে আছে তা বিভিন্ন কার্যকলাপ এর মধ্যে দিয়েই প্রকাশ পায়। কিন্তু অধিকাংশ বাবা মা লেখাপড়া দিকেই বেশি জোর দিয়ে থাকেন, এর ফলে অধিকাংশ শি’শুর প্রতিভা সুপ্তই থেকে যায়।

এইসব বাচ্চাগুলোকে দেখে সমস্ত বাবা-মায়ের উচিত তাদের সন্তানদের প্রতি সব দিকে লক্ষ রাখা, তাদের নিজেদের মতো বাড়তে দেওয়া। এই ভাবেই শিশুদের মধ্যে সুপ্ত প্রতিভা গুলি প্রকাশ পাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *