রোড শো এই মাধ্যমেই দিলেন জবাব সোহম, জন জোয়ারে ভাসলো গোটা বর্ধমান, চাপের মুখে বিজেপি!

Sabbir Rahman 0

ফের উত্তপ্ত রাজ্যের রাজনীতি । রাজ্যের রাজনীতিতে সমালোচনা কটাক্ষ থাকবে এমনটাই স্বাভাবিক ।এটি রাজনীতির একটি অংশ। তারপর সামনে বিধানসভার ভোট।

এমতাবস্থায় সেই সমস্ত সমালোচনা এবং কটাক্ষ যে তীব্র আকার ধারণ করবে এমনটা মনে করা যেতে পারে আর ঠিক সেরকমই ঘটছে প্রতিনিয়ত । সামনে বিধানসভা ভোট কে মাথায় রেখে এগিয়ে যেতে চাইছে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি ।

তাদের মধ্যে বেশি সক্রিয় হয়ে উঠেছে বঙ্গ বিজেপি । কারণ যেনতেন প্রকারে তাদেরকে দখল করতে হবে বাংলার শাসন ক্ষমতা। তার পাশাপাশি রাজ্যজুড়ে ফোটাতে হবে পদ্মফুল ।

তবে হাল ছেড়ে দেওয়ার পাত্র তৃণমূল কংগ্রেস নয়। তাই প্রশ্নের পর প্রশ্ন আসছেন দুই দল থেকে । আর এবার ঠিক সেরকমই ঘটলো । ইতিমধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙ্গন শুরু হয়ে গেছে এমনটা মনে করছেন অনেক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ।

তাই আগামী বিধানসভা ভোটে তৃণমূল সরকারের হার নিশ্চিত এমনটা মনে করছে অনেকে । তবে এখনো পর্যন্ত তেমন কিছু মনে করছে না খোদ শাসক দল । তারা নিজেদের জায়গায় অনড় বরং প্রতিদিনই আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠছে শাসকদলের প্রতিটি কর্মীর কণ্ঠস্বর ।

শুভেন্দু অধিকারীর একটি বিতর্কিত নাম ছিল এবং ক্রমাগত জল্পনা বাড়িয়ে দিচ্ছিল । সেই শুভেন্দু অধিকারী গত শনিবার মেদিনীপুর আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেন । তারপর থেকে শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে ।

ভোটের প্রাক্কালে শুভেন্দু অধিকারী এ ধরনের সিদ্ধান্ত কে ধিক্কার জানিয়েছেন অনেকে । গত শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরে বিজেপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেন প্রাক্তন পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ।

আর তারপরেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে তার অনুগামীরা । তাদের দাদা এরকম সিদ্ধান্ত নেবে তা জানা ছিল না । যার ফলে দফায় দফায় দেখা যায় বিক্ষোভ । কিন্তু যে মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারী করলেন তার জন্য প্রস্তুত ছিল না কেউই।

কিন্তু এই বাংলার ক্ষমতা শাসন অধিকারের জন্য একের পর এক কৌশল তৈরি করে যাচ্ছে গেরুয়া শিবির এবং শক্তি প্রদর্শন করছে রোড শো এর মাধ্যমে । ঠিক তেমনি দুদিন আগে বর্ধমানের বিরহাটা থেকে কার্জন গেট পর্যন্ত ৭০০ মিটার রোড শো করেছিলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি জে পি না ।

এবার সেই রোডেই রোড শো করলেন যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি সোহম চক্রবর্তী । তারপর তুলে ধরলেন একরাশ ক্ষোভ বিরোধী দলের বিরুদ্ধে।

এ দিনের রোড শো-এ উপস্থিত থেকে সোহম বলেন, ‘বিজেপির নেতাদের মুখে কৃষকদের কথা মানায় না। ওরা কৃষক হত্যাকারী শ্রমিক হত্যাকারী দীর্ঘদিন ধরে দিল্লিতে কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন কৃষকরা অথচ সে ব্যাপারে কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই বিজেপির এখানে তারা কৃষক দের বাড়িতে ধান সংগ্রহের উন্নয়নে ভোটের রাজনীতি করছেন।

’হুডখোলা গাড়িতে ওই পথ প্রদক্ষিণ করার সময়ে সোহম বলেন,’গতকাল নাড্ডার রোড শো-এ লোক এসেছিল ভিন্ন ভিন্ন রাজ্য থেকে। এখানকার বাসিন্দাদের উপস্থিতি ছিল না। আজ পূর্ব বর্ধমান জেলার বাসিন্দাদের আবেগ আমাদের এই রোড শোকে ঘিরে প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে। তাই এটুকু বলতে পারি বিজেপির গান আমার এখান থেকেই করে দিয়েছি।’

তিনি বলেন ” একসময়ের লাল দুর্গ বর্ধমান সময়ের ব্যবধানে সবুজ হয়েছে গতকাল বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি রোড সখিরে শহর গেরুয়া রঙের উঠেছিল এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলো তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ-সভাপতি বলেন, ‘আজকের জনজোয়ার সব উত্তর পরিষ্কার ভাড়াটে সৈনিক দিয়ে যেমন খুশি রং করানো যায় কিন্তু মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ যে রঙ ছড়ায় তা আজ এখানে ধরা পড়ছে এই বলে দিচ্ছে বর্ধমানের নীল আকাশে এই ২০২১ এ ফের সবুজ আবির উড়বে।’তাহলে কি মানুষ সত্যি স্বতঃস্ফূর্তভাবে এবার ক্ষমতায় আনবে বিজেপি কে নাকি বিজেপির এই বাংলা বিরোধী কার্যকলাপ মানুষ বুঝে নিয়ে ফের আর একবার তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের একাংশের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *