৪০ বছর ধরে ধাবা চালাচ্ছেন এই বৃদ্ধ, টাকা না থাকলেও ফেরান না কাউকে

গু’জরাটের (gujrat) ম’রবি শহরের বাসিন্দা বাচ্চু দা’দা সেখানকার খুবই জনপ্রিয় একটি নাম। তিনি ‘বাচ্চু দাদা কা ধা’বা’ (bacchu dada ka dhaba) নামে একটি ধাবা চালান। সেখানে, সকাল ১১ টা থেকে ভি’ড় বাড়তে শুরু করে।

এর কারণ হল বাচ্চুদদা গত ৪প বছর ধরে খুব অ’ল্প অ’র্থ এর বি’নিময়ে মা’নুষকে খা’ওয়াচ্ছেন। শুধু এ’টিই নয়, যাদের অ’র্থ নেই তারা এখানে বি’নামূল্যেই খে’তে পারেন। বা’চ্চুদার বয়স 72 বছর, তিনি একাই এই ধা’বা চালান।

প্রতিদিন একশ থে’কে দে’ড়শ লো’ক তার এখানে খে’তে আসেন। তিনি রং’পুর গ্রা’মের বা’সিন্দা এবং ৩০-৪০ বছর ধরে ম’রবি শহরে বস’বাস করছেন। ম’রবি শহরের স্টেশ’নের কাছে একটি কুঁ’ড়েঘরে বাস ক’রেন , বাড়ির কাছা’কা’ছিই তার ধা’বাটি রয়েছে।

এই দো’কানটি আকারটি বেশ ‘ছোট, তবে মহা’নুভব’তার কারনে এর নাম’টি আজ প্র’ত্যেকের মুখে মুখে ঘো’রে। খা’বারের দাম ৪০ টাকা হলে’ও যদি কে’উ ১০ বা ২০ টা’কার বিনি’ময়ে খাবা’র খেতে চান, বা’চ্চু দাদা তা’কেও নিরাশ করেন না।

এমনকি আ’পনার প’কেটে টা’কা না থা’কলেও বি’নামূল্যে খা’বার খেতে পার’বেন এখানে। বা’ছুদাদা বলে’ছিলেন যে তিনি তার খাবারের দাম টা’কা রে’খেছেন যা’তে নি’জের নূ’ন্যতম চা’হিদা মে’টাতে পা’রেব। এ কা’রণে তারা আজ অব’ধি কুঁ’ড়েঘরে থা’কতে হচ্ছে।

বা’চ্চুদা’দার জী’বনের উ’দ্দেশ্য কেবল গরি’ব মানু’ষকে খাও’য়ানো। তার খাবারে তি’নটি সুস্বাদু শা’ক, রু’টি-ডা’ল-চাল, পাঁ’পড় এবং ছা’নাও থাকে। যে’খানে আ’জও কো’নও সাধা’রণ হো’টেলে এত খা’ওয়ার হার ক’মপক্ষে এক’শ টাকা।

সেখা’নে মাত্র ৪০ টা’কায় বাচ্চু দা এই খা’বার দেন। এমনকি প’কেটে টা’কা না থাক’লে তি’নিও ফিরে যা’ন না। কম’লেশ মো’দি নামের স্থানীয় এক ইউ’টিউবার তার এই ধা’বা নিয়ে সম্প্রতি একটি’ ভিডি’ও করেছে। যা’র ফলে এখ’ন তার গ্রা’হক অনেকটাই বেড়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.