করোনার মধ্যেই মুরগি গিয়ে এলো বড় দুঃসংবাদ, ফের হাজির নতুন ভাইরাস!

আমরা জানি যে গোটা বিশ্ব জুড়ে চলছে মৃ-ত্যু-মিছিল এবং মৃ-ত্যু-র মিছিলে কারণটাও আমাদের কাছে খুব ভালোভাবেই স্পষ্ট । করোনা অ-তি-মারি-র জন্য গোটা দেশ আজ বি-প-দে-র মুখে । তার পাশাপাশি ভে-ঙ্গে পড়েছে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা। বেড়ে চলেছে বেকারত্বের সংখ্যা।

বাজারে ক্রমশ বেড়ে চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম। এমতাবস্থায় কিভাবে আগামী দিন চালানো যাবে তা ভেবে কূলকিনারা পাচ্ছেন না অনেকেই । এরই মাঝে চলে এলো দ্বিতীয় দুঃসংবাদ।

একে করোনা তার ওপরে এই দ্বিতীয় দুসংবাদ রীতিমতো চিন্তায় ফেলেছে গোটা বিশ্ববাসীকে। এই মুহূর্তে ব্যাপক ভাবে দেখা গেছে বার্ড ফ্লু এর উপদ্রব। সাধারণত কোন বন্য জন্তু বা পাখির জন্য মুরগীদের এই ধরনের রোগ হয়ে থাকে । যার ফলে খুব কম সময়ের মধ্যে বহু সংখ্যক মুরগি মারা যায় ।

তারপর যদি সেই রোগগ্রস্ত মুরগি কারুর পেটে যায় তাহলে বিপদ ঘটতে পারে তার । সেই মতো অনেকেই চিকেন খাওয়া থেকে বিরত থাকে এই সময় । এর পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের কপালে পরে দুশ্চিন্তার ভাঁজ কারণ হঠাৎ করে তাদেরকে সম্মুখীন হতে হয় বড়সড় এক ক্ষ-তি-র । এবার ঠিক সে রকম একটি ঘটনা ঘটল। তবে এদেশের নয় বরং সেটি ঘটেছে জার্মানিতে।

জানা গিয়েছে, ল্যান্ডক্রেইস রোস্টক অঞ্চলে সম্প্রতি একটি মুরগির খামারে বার্ড ফ্লুর প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছে। আর তারপরই নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে জানা যায়, ওই খামারে এইচ৫এন৮ ধরনের বার্ড ফ্লুর উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। খামারটিতে প্রায় ৪ হাজার ৫০০টি মুরগি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

সেগুলিকে আগে মারা হবে। ওই খামারেরই আরও বেশ কিছু শাখা রয়েছে। সব মিলিয়ে খামারের প্রায় ৭০ হাজার মুরগিকে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। পশু বিশেষজ্ঞদের মতে এই মুহূর্তে রোগগ্রস্ত মুরগিগুলোকে মেরে ফেলা সবথেকে বুদ্ধিমানের কাজ হবে এবং সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন ইতিমধ্যে জার্মানি প্রশাসন । তবে মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে একটা বড়সড় আ-ত-ঙ্ক।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ইউরোপের অনেক দেশে করোনা এর দ্বিতীয় বা সেকেন্ড ওয়েভ দেখা গিয়েছে ইতিমধ্যে । যার ফলে ফের বড়োসড়ো দুশ্চিন্তার মুখে পড়েছে দেশবাসি । তার মাঝে এই বার্ড ফ্লু রীতিমতো আ-ত-ঙ্ক সৃষ্টি করেছে । তবে এটা প্রথম নয় এর আগের জার্মানি তে দেখা গিয়েছিল বার্ড ফ্লু ।

তবে চিকিৎসকদের একাংশের মতে, এই বার্ড ফ্লু মানুষের জন্য খুব একটা ঝুঁকিপূর্ণ নয় এখনও পর্যন্ত। এর আগেও বার্ড ফ্লুর ভাইরাস পাওয়ার কারণে জার্মানির অন্য আরেকটি খামারের প্রায় ১৬ হাজার টার্কিকে মে-রে ফেলা হয়েছিল। গত সোমবার স্থানীয় প্রশাসন এমনই তথ্য সামনে আনে। এর পাশাপাশি জার্মানি থেকে ডিম সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে এই মুহূর্তে প্রশাসন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *