Breaking News
Home / ভারত / মাত্র ২ লক্ষ টাকায় যেভাবে দোতলা বাড়ি বানাবেন!

মাত্র ২ লক্ষ টাকায় যেভাবে দোতলা বাড়ি বানাবেন!

Advertisement

যু’ক্তরাজ্যে যেখানে সাধারণ মানুষের একটি ছোটখাটো বাড়ি কেনার আগে বহু বছর ধরে অর্থ সঞ্চয় করতে হয়, তারপরও ঋণ ছাড়া উপায় থাকে না, সেখানে এক তরুণ দম্পতি নিজেরাই নিজেদের জন্য বাড়ি তৈরি করেছেন, যার জন্য খরচ পড়েছে ১ হাজার পাউন্ডেরও কম! যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় দুই লক্ষ টাকার সমপরিমান।

ক্রিশ্চিয়ান মন্টেজ ও কাইরা পাওয়েল পুরোনো, বাতিল এবং রিসাইকেল করা (পুনর্ব্যবহারযোগ্য) সরঞ্জাম থেকে মাত্র ৯ সপ্তাহে তৈরি করেছেন ছোট্ট একটি দোতলা বাড়ি। ৮ ফুট চওড়া, ১৬ ফুট লম্বা এবং ১২ ফুট উঁচু ওই বাড়িতে রয়েছে একটি ডাবল বেডরুম, একটি বসার ঘর, রান্নাঘর এবং একটি অফিসঘর।

কেবিনের মতো ছোট্ট বাড়িটির নিচে চাকা লাগানো থাকায় একে স্থায়ী বাসস্থান হিসেবে ধ’রা যায় না। তাই বাড়িটি তৈরির জন্য সরকারের কোনো অনুমোদনও প্রয়োজন হয়নি। ক্রিশ্চিয়ান জানান, তাদের এলাকায় একটা ২ বেডরুমের বাসার দাম পড়ে গড়ে প্রায় ২ লাখ পাউন্ড। ‘আর সেটা যদি ভাড়া নেওয়া হয়, দেখবেন আপনার জমানো সব টাকাই এর পেছনে উড়ে যাচ্ছে।’

বাসা ভাড়া দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছিলেন এই দম্পতি। টাকা জমানোর শত চেষ্টা করেও তেমন কিছুই জমাতে পারছিলেন না ভাড়ার টাকা দিতে গিয়ে। তাই হিয়ারফোর্ড এলাকার প্রান্তে কাইরার বাবা-মায়ের ৬০ একরের খামারবাড়িতে কেবিনসম বাড়িটি তৈরি করেন তরুণ দম্পতি। ‘এই কেবিনটি আমা’দের কিছু সঞ্চয়ের সুযোগ করে দিয়েছে,’ বলেন ক্রিশ্চিয়ান।

ক্রিশ্চিয়ান ও কাইরা দু’জনেই ডিজাইনার। ক্রিশ্চিয়ান স্থাপত্যবিদ্যায় মাস্টার্স করেছেন। আর কাইরা অক্সফোর্ডের ন্যাশনাল স্কুল অব ফার্নিচার থেকে ডিগ্রিধারী। নিজ প্রতিভা কাজে লাগিয়ে এই যুগল ১ হাজার পাউন্ডেরও কম খরচে একটি চাকাওয়ালা ট্রেইলার ফ্রেমের ওপর নিজেদের ছোট্ট ঠিকানাটি নির্মাণ করেন।

বাড়ির দেয়ালগুলো তৈরি করা হয়েছে রিসাইকেল করা কাঠের প্যানেল দিয়ে। জানালা ও আসবাবের কাঁচামাল এসেছে বাতিল জিনিস বিক্রির স্ক্র্যাপইয়ার্ড থেকে। এমনকি ওয়াশিং মেশিনের দরজা ব্যবহার করে চিলেকোঠার বেডরুমে একটা ছোট গোলাকার জানালাও বানিয়েছেন তারা।

বিভিন্ন দোকান এবং পরিচিতদের কাজ করে দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ ও বাড়ি তৈরির বেশিরভাগ সরঞ্জাম জোগাড় করেছেন ক্রিশ্চিয়ান এবং কাইরা। এছাড়াও জানালাগুলো তারা বন্ধুদের তরফ থেকে এবং দরজাগুলো দাদীর কাছ থেকে বিনামূল্যে পেয়েছিলেন।

পুরো বাড়িতে ইনস্যুলেটেড প্যানেল বসানোর জন্য খরচ হয়েছিলো ৬শ’ পাউন্ডের মতো। এটা ছাড়া আর কোনো বড় রকমের খরচ হয়নি বলে জানান ক্রিশ্চিয়ান। বাড়িটি সমমনা অন্যদের দেখার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে ক্রিশ্চিয়ান ও কাইরার। তারা সবাইকে শেখাতে চান ভোগবাদ ত্যাগ করে কীভাবে নিজের একটা ছোট্ট বাসস্থান তৈরি করে জীবন শুরু করা যায়।

Advertisement

Check Also

স্বা’মীকে স্বপ্নে দেখেই গ;র্ভবতী স্ত্রী’!

Advertisement কাজের সূত্রে স্বা’মী থাকেন দূ’রের শহরে। গত সাত মাস ধরে তিনি বাড়িতে আসেন নাই। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *