র’ক্তচো’ষা এই মা’ছের রান্না করতে লাগে তারই র’ক্ত, জানুন এই অদ্ভুত দর্শন মা’ছের কা’হিনী

অত্যন্ত বৈচিত্র্যপূর্ণ আমাদের এই পৃথিবী। এই পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন মানুষের বাস। ক্ষেত্রবিশেষে এদের আচার-ব্যবহার, রীতিনীতি, পো’শাক-আশাক, জী’বনধারণ প্রক্রিয়া, খাদ্যাভ্যাস সবই ভিন্ন।

এক দেশের মানুষের কাছে যা অভাবনীয়, অন্য দেশের মানু’ষ অবশ্য তাতেই স্বচ্ছন্দ্য। এক দেশের মানু’ষ যাদের ভ’য় পান, যাদের থেকে দূরে থাকতে চান, ‘অন্য দেশের মা’নুষ আবার তাদেরই ধরে কে’টে খেয়ে ফে’লেন!

স’মুদ্রে বস’বা’সকারী পৃথি’বীর আদি’মতম জীব হ’লো ল্যা’ম’প্রে। এই অদ্ভুত সা’মুদ্রি’ক মা’ছটির বৈ’শিষ্ট্য হলো এদের চো’য়াল থা’কেনা। বদলে অ’সংখ্য ‘ক্ষুদ্র ক্ষু’দ্র দাঁ’ত বি’শিষ্ট এ’কপ্রকার চো’ষক থাকে মুখে।

যার সাহা’য্যে হাঙ্গ’রের মতো ব’ড় ব’ড় সামু’দ্রিক মা’ছের শ’রীরে আ’টকে গিয়ে তাদের র’ক্ত চু’ষে খায় এই প্রা’ণীটি। উত্ত’র আমেরিকার মানুষদের কাছে এরা সা’ক্ষাৎ দানব। তারা এদের ভী’ষণ ‘ভ’য় পা’ন।

তবে এক দেশের কাছে যা ভ’য়ঙ্ক’র, অন্য দেশের কাছে তা অত্য’ন্ত সুস্বাদু পদ হয়েও উঠতে পারে। ইউরোপের মানুষজন আবার এই “সামু’দ্রিক দানব” এর মাং”স খেতে খুব পছন্দ করেন।

এই পদ তৈরিতেও রয়েছে বিশেষত্ব। ইউরোপের মানুষজন ল্যামপ্রের র’ক্তেই তাদের রান্না করে সুস্বাদু পদ তৈরি করে থাকেন। পর্তুগালের মানুষজন প্রতি বছর জানুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত “ল্যামপ্রে উৎসব” পালন করেন।

সেই ম’ধ্যযু’গীয় সময়’কাল থেকেই এই উৎসব পালিত হয় পর্তু’গালে। জুলিয়া’স সিজারের ব্যা’ঙ্কোয়েটের অ’ন্যতম পছ’ন্দের পদ ছিল ল্যা’ম’প্রে। র’ক্ত দিয়ে ল্যা’মপ্রে রা’ন্না নিয়ে বহু কথা প্রচ’লিত আছে।

তার মধ্যে স’র্বাধিক প্রচলি’ত কথাটি হলো, এই প্রাণীটি যেহেতু অন্য প্রা’ণীর র’ক্ত চু’ষে খায় তাই তার নিজের র’ক্ত দিয়েই সু’স্বাদু পদ রা’ন্না করা হয়। এমনই শা’স্তি প্রা’প্য ল্যামপ্রের। আজও সে’ই প্রথা অ’বিচল রয়েছে। জানুয়ারি থেকে এ’প্রিল মাস প’র্যন্ত প’র্তুগালের প্রতিটি রেস্তোরাঁয় “র’ক্ত’স্নাত ল্যামপ্রে” প’দটি মেইন কো’র্সে থাকবেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *