অভিমানে সেই ফুড ডেলিভারি গার্ল রজনী না ফেরার দেশে চলে গেলেন

বর্তমান সময়ে দেশে ফুড ডেলিভারি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। দেশে অনেক ছেলে এই ফুড ডেলিভারির কাজের সাথে যুক্ত রয়েছেন। তবে এই ফুড ডেলিভারি কাজে মেয়েদের তেমন একটা দেখা যায় না।

আর এই ফুড ডেলিভারি কাজের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন এক কলেজছাত্রী। এই কলেজছাত্রীর নাম রজনী অধিকারী। তবে এবার এই ফুড ডেলিভারি গার্ল রজনী অধিকারী অভিমানে না ফেরার দেশে চলে গেলেন।

কুষ্টিয়ার ফুড ডেলিভারি গার্ল (খাদ্য সরবরাহকারী) কলেজছাত্রী রজনী অধিকারী (১৯) ’’আ//ত্মহ//ত্যা’’ করেছেন। পারিবারের দাবি, বন্ধুর ওপর অভিমান করে রজনী এ পথ বেছে নিয়েছেন।সোমবার (৮ মার্চ) নারী দিবসেই রাত ১১টায় ’’গ//লা//য়’’ ’’ফাঁ//স’’ নিয়ে ’’আ//ত্ম//হ//ত্যা’’ করেন তিনি।

রজনী অধিকারী কুষ্টিয়া শহরের থানাপাড়া এলাকার ৯ নম্বর পলানবক্স এলাকার অশোক অধিকারীর মেয়ে। তিনি খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ফুড পান্ডার কুষ্টিয়া জেলার একমাত্র এবং বাংলাদেশের হাতেগোনা সাত-আট জন নারী খাদ্য সরবরাহকারীর মধ্যে একজন ছিলেন।

২০১৮ সালে কুষ্টিয়া হাই স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন রজনী। বর্তমানে কুষ্টিয়া শহরের আইডিয়াল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।রজনীর বাবা অশোক অধিকারী জানান, রজনী খুব রাগী এবং অভিমানী ছিলো। বন্ধুর ওপর অভিমান করে সে এমন কান্ড ঘটিয়েছে।

ফুড পান্ডার কুষ্টিয়া অফিসের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ফজলে রাব্বী জানান, রজনী খুব বিনয়ী ছিলেন। মন দিয়ে কাজ করতেন। অল্প দিনেই তিনি গ্রাহকদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছিলেন।রজনীর বান্ধবীরা জানান, রজনী খুব জে’দি ছিলো।

যখন তখন মান অভিমান করে না খেয়ে থাকতো। তাদের দাবি, রাজবাড়ী জেলায় থাকা তার এক বন্ধুর ওপর অভিমান করে সে েমন কাজ করেছে। কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত কবির জানান, সকালে রজনীর নিথর দেহ উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় থানায় একটি ’’অ//প//মৃ//ত্যু’’ মামলা হয়েছে।উল্লেখ্য, ফুড ডেলিভারি গার্ল রজনী তার নিজ এলাকায় বেশ পরিচিতি লাভ করে। তিনি সব সময় কাজের প্রতি মনোযোগী ছিলেন। আর তিনি পড়াশুনার পাশাপাশি এই ফুড ডেলিভারি কাজ করতেন। তবে অভিমানে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কলেজছাত্রী রজনী। তার এমন ভাবে চলে যাওয়ায় তার বন্ধুরা শোকা প্রকাশ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *