Breaking News
Home / বিনোদন / নিকের ছিল ‘প্রাণপণ’ চেষ্টা, পাত্তা দিতেন না প্রিয়াঙ্কা

নিকের ছিল ‘প্রাণপণ’ চেষ্টা, পাত্তা দিতেন না প্রিয়াঙ্কা

Advertisement

সাত বছরের ছোট এক পুরুষকে মন দিয়ে বসবেন, সে কথা কল্পনাতেও ছিল না বলিউড সুন্দরী প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা-ই হয়েছে। নিক জোনাসকে ফেরাতে পারেননি তিনি।

Advertisement

অবশ্য পরিচয়ের একেবারে শুরুর দিকে নিককে খুব একটা পাত্তা দিতেন না সাবেক এই বিশ্ব সুন্দরী। মার্কিন টিভি উপস্থাপক অপরাহ উইনফ্রের শো ‘সুপার সউল’-এ উপস্থিত হয়ে এসব কথা জানিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা।

সেখানে উঠে এসেছে নিক-প্রিয়াঙ্কার পরিচয়ের প্রথম দিককার অনেক অজানা গল্প। প্রিয়াঙ্কা জানান, বয়সের ব্যবধানের জন্য নিকের সঙ্গে ডেটে যেতে এক ধরনের উদ্বিগ্নতা কাজ করত মনে।

তিনি বলেন, ‘আমি প্রথমে আসলেই ওকে বাইরে থেকে বিচার করেছিলাম। সত্যি বলতে ও যখন মেসেজ দিত আমি অতটা গুরুত্ব দেইনি। আমার বয়স ছিল ৩৫ আর আমি বিয়ে করে মা হতে চাইতাম।

ওর বয়স ছিল ২০-এর ঘরে…আমি আসলে বুঝিইনি যে সে একটা সম্পর্কে যেতে আগ্রহী। নিজেও তার সম্পর্কে তেমন কিছু ভাবতাম না।’ তবে নিককে সরাসরি চেনার পর সব ধারণা পাল্টে যায় উল্লেখ করে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘ওকে চেনার পর যারপরনাই অবাক হলাম। সে একজন আত্মবিশ্বাসী মানুষ, যথেষ্ট দায়িত্ববান,

আমার অর্জন আর স্বপ্নগুলোর ব্যাপারে বেশ খেয়াল রাখে…। তার এই বন্ধনের ক্ষমতাই আমাদের দুজনকে একত্রিত করে রাখে সবসময়।’ তাদের দাম্পত্যজীবনে নিজের বাবা-মায়ের সাংসারিক বন্ধনের ছায়া খুঁজে পান বলেও উল্লেখ করেন এই বলিউড অভিনেত্রী।

২০১৭ সালে এক পার্টিতে প্রথম সাক্ষাৎ হয় নিক-প্রিয়াঙ্কার। সেই থেকে শুরু। এরপর প্রিয়াঙ্কাকে টুইটারে ফলো করতে শুরু করেন নিক। বাকিটা ইতিহাস। এরপর আবার ২০১৮ সালের মে মাসে মেট গালাতে একত্রে উপস্থিত হন দুজন। কয়েকদিন যেতে না যেতেই যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ডজার স্টেডিয়ামে এক বেসবল ম্যাচে ফের দুজনকে দেখা যায় একত্রে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে মহা ধুমধামে বিয়ে করেন তারা।

Advertisement

Check Also

সন্তান জন্ম দেওয়ার বিক’ল্প প’দ্ধতি বেছে নেওয়ার কারণ জা’নালেন শিল্পা!

Advertisement সা’রো’গেসি (গ’র্ভভাড়া) প’’দ্ধতির মা’ধ্যমে গত ফেব্রুয়ারি মাসে দ্বিতীয় স’ন্তানকে স্বা’গত জা’নিয়েছেন শিল্পা শেঠি। মে’য়ের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *