আবর্জনা স্তূপ থেকে কু’ড়িয়ে পাওয়া মে’য়েটি তার সবজি বিক্রেতা বাবাকে এত বড় প্রতিদান দিল

জীবনের গ্রাফ কখনই সরলরেখা নয়, তার প্রতিটি বিন্দুতে লুকিয়ে থাকে বিস্ময় আর রোমাঞ্চ। আজ দাঁড়িয়ে ২৫ বছর পরের চিত্রপট বলা যেমনই কঠিন তেমনই অবাস্তব। তার চেয়ে ভালো বরং জীবনকে নিজের মতো করে ছেড়ে দেওয়া আর সে বয়ে চলুক নিজের মতো করে, নিজের স্রোতে।

ওই ইংরেজিতে একটা কথা আছেনা “জাস্ট গো উইদ ফ্লো।” জীবন কখন কোন দিকে বাঁক নেবে কখনও পাল্টাবে তা আগে থেকে ঠাওর করা খুবই মুশকিল। এরকমই এক পাল্টে যাওয়া জীবনের কথা,

এক চরিত্রের কথাই তুলে ধরা হলো এই প্রতিবেদনে।ঘটনাটির কেন্দ্রস্থল আসাম। আসামের দরিদ্র অধিবাসীদের মধ্যেই একজন ছিলেন নিখিল। পেশায় সবজি বিক্রেতা।

ঘটনার সূত্রপাত এখান থেকেই, একদিন রাস্তায় প্রতিদিনের মতই সবজি বিক্রি করছেন নিখিল, ঠিক এই সময়ই তার চোখে পড়ে রাস্তার ধারে আবর্জনার স্তূপের মধ্যে কিছু একটা পরে আছে এবং সেখান থেকে শব্দ হচ্ছে। নিখিল দৌড়ে গিয়ে দেখতে যায় এবং একজন বাচ্চা শিশু মে’য়েকে সেখানে পরে থাকতে দেখেন।

গরিব হলেও নিখিল ছিলেন একজন ভালো মানুষিকতার মানুষ তাই সে বাচ্চাটিকে ওখান থেকে বাড়ি নিয়ে আসেন।নিখিলের তখন বয়স প্রায় ৩২ ছুঁইছুঁই আর অবিবাহিতও। ফলত বাচ্চাটিকে মানুষ করতে কোনো অসুবিধা হয়নি তার। চরম দরিদ্রতার মধ্যেও তার মে’য়ের মতনই আদর যত্নে মানুষ করেন কু’ড়িয়ে পাওয়া সেই ‘মে’য়েকে।

শুধু তাই নয় শিক্ষা দিক্ষাতেও মাহির হয়ে ওঠে কু’ড়িয়ে পাওয়া মে’য়ে মিথিলা।বর্তমানে একজন আইপিএস অফিসারের পদে কর্মরত মিথিলাও বহু জায়গায় তুলে ধরেছেন নিখিলের অবদান। তবে সবশেষে স্যালুট জানাতেই হয় নিখিলের মতন এমন দৃঢ়চেতা, উদার মানসিকতার মানুষকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *