Breaking News
Home / শিক্ষা / বই মিলালে ৮০ নম্বর, কিন্তু রেজাল্ট আসে ‘ফেইল’- মেডিকেল ভর্তিচ্ছুদের অভিযোগ

বই মিলালে ৮০ নম্বর, কিন্তু রেজাল্ট আসে ‘ফেইল’- মেডিকেল ভর্তিচ্ছুদের অভিযোগ

Advertisement

গত ২ এপ্রিল ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার একদিন পরে ৪ এপ্রিল প্রকাশিত হয় পরীক্ষার ফলাফল। এই ফলাফল নিয়ে নানা অভিযোগ তুলেছেন পরীক্ষায় অংশ নেয়া অনেক শিক্ষার্থী।

Advertisement

ফলাফলে অসঙ্গতির অভিযোগ এনে তা বাতিল করে পুনরায় উত্তরপত্র যাচায় করে মেধাক্রম প্রকাশ করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সেইসঙ্গে, পরীক্ষার প্রতি সেট প্রশ্নের সঠিক উত্তর ও উত্তরের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার দাবি করেছেন তারা।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, ফলাফলে প্রকাশিত প্রাপ্ত নম্বরের সাথে অনেকেরই প্রশ্নপত্রের সাপেক্ষে পাঠ্যবইয়ের সাথে মিলানো সম্ভাব্য নম্বরের মাঝে ব্যাপক অসামঞ্জস্য দেখা গেছে।

এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন অনেকেই। ফেসবুকের বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপে এ নিয়ে চলছে সমালোচনা।মেডিকেল ভর্তিচ্ছুরা খুলেছেন আলাদা একটি গ্রুপ।

শিক্ষার্থীরা আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন গ্রুপের সদস্যরা। শিক্ষার্থীরা বলেছেন, অনেক শিক্ষার্থীরই পাঠ্যবইয়ের সাথে মিলানোর ৭৫-৮০ পাওয়ার কথা থাকলে ফলাফলের পর তাদের প্রাপ্ত নম্বর দেখা গেল ৬০ কিংবা ৬৫ এমনকি অনেকে ফেইল ।

তারা বলেন, এই অসংগতিপূর্ণ ফলাফলের জন্য অনেক যোগ্য শিক্ষার্থী তাদের কাঙ্ক্ষিত সরকারি মেডিকেলে পড়ার সুযোগ হারাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে এ বিষয়ে অভিযোগ করা সত্ত্বেও কোনো আশানুরূপ সমাধান পাওয়া যায় নি।

এই অসংগতির সমাধান না হলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা প্রশ্নের সম্মুখীন হবে। ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী মারজান বিনতে মুরাদ জানান, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ভুলে আমাদের স্বপ্ন শেষ হতে চলেছে।

ফলাফলে যথেষ্ট অসঙ্গতি রয়েছে। এর ফলে অনেক যোগ্য প্রার্থী অযোগ্যদের কাতারে পরে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের এই বিষয়ে অভিযোগ করেও কোনো সুরাহা পাওয়া যাচ্ছে না। আশা করছি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে।

এবার মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৯২ জন শিক্ষার্থী, এর মধ্যে পাশ করেছে ৪৮ হাজার ৯৭৫ জন । যা মোট পরীক্ষার্থীর ৩৯.৮৬ শতাংশ।

গত ২ এপ্রিল (শুক্রবার) এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১০০ মার্কের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নে নেয়া হয় এই ভর্তি পরীক্ষা, যেখানে পাশ নম্বর ছিল ৪০।

‘বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল’ কর্তৃক প্রণীত নীতিমালার শর্তানুযায়ী লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর ও এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ হতে প্রাপ্ত নম্বর যোগ করে অর্জিত স্কোরের ভিত্তিতে (মেধা ও পছন্দ অনুসারে) ৪৩৫০ জন ছাত্র-ছাত্রীকে ৪৭ টি সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে। এর মধ্যে সেকেন্ড টাইমার ৪১৩ জন।

নির্বাচিত ৪৩৫০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৩৪১ জন (৫৪%) ছাত্রী এবং ২০০৯ জন (৪৬%) ছাত্র। সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছেন মিশরী মুনমুন নামে একজন ছাত্রী। তার প্রাপ্ত স্কোর ২৮৭.২৫।

Advertisement

Check Also

বদলে যাচ্ছে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা পদ্ধতি!

Advertisement এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা মূল্যায়ন পদ্ধতি বদলে যাচ্ছে। দশম শ্রেণির আলাদা বই দেয়া হবে, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *