বৃ্দ্ধাশ্রম থেকে ছেলেকে লেখা বাবার চিঠি, পড়লে চোখের জল ধরে রাখতে পারবেন না!

বর্তমান যুগে আমরা উন্নত হতে গিয়ে কোথাও যেন হারিয়ে ফেলেছি নিজের মনুষ্যত্বকে । এবং প্রতিনিয়ত এর জন্যই আমাদের আশেপাশের সমাজে বেড়ে চলেছে অপরা-ধের সংখ্যা । অপরাধ শুধুমাত্র অন্যদের সাথে করা হয় তেমন কিন্তু নয় ।

মাঝে মধ্য কিন্তু বাড়ির অপ-রাধে অপ-রাধী হচ্ছে বহু ছেলে মেয়েরা । সব থেকে বড় অপ-রাধ যদি কেউ বড় হয়ে যাবার পর তার বাবা আমাদেরকে না দেখে । এর থেকে বড় অপরাধ পৃথিবীতে হয়তো আর নেই কিছু ।

কোন একটি বাড়িতে সন্তান জন্ম নেওয়ার পর সবথেকে খুশি হয় তার মা এবং বাবা । নিজের ছেলেকে নিজের মতন করে নিজের আদর্শে এবং নিজের মনোভাব গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখে তারা । এবং ধীরে ধীরে সেই ছেলে বড় হয়ে ওঠে ।

পড়াশোনা থেকে যাবতীয় খরচ বা জীবনযাপনের জন্য যা যা জিনিস পত্র দরকার পড়ে তা নিজের ইচ্ছেকে বন্ধক রেখে পূরণ করে বাবা মা । পূরণ করে চলে অন প্রতিনিয়ত । কিন্তু তারপরেও শেষ বয়সে এসে তাদের পাওনা থাকে এরকম কিছু।

আমি কথাগুলি এই কারণে বলছি কারণ সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে এক বৃদ্ধ’র চিঠি উঠে এসেছে খবরের শিরোনামে । বাংলাদেশের কোন এক বৃদ্ধাশ্রম থেকে এক বৃদ্ধ তার ছেলের উদ্দেশ্যে লিখেছে চিঠি এবং সেই চিঠি পড়ে ফেলেছি মধ্যে অনেকে।

সেই চিঠিটা পড়ার পর আবেগ-প্রবণ হয়ে পড়েছেন প্রত্যেকে চোখের কোনে এসেছে জল। কি এমন লিখলেন তিনি চিঠিতে যার ফলে প্রত্যেকে আবে-গপ্রবণ হয়ে পড়লেন?

ওই বৃদ্ধাকে চিঠির মাধ্যমে ছেলেকে জানান যে তার ছেলে কোনদিনই তার সাথে যোগাযোগ রাখেননি । শুধুমাত্র টাকা পাঠানো ছাড়া । তিনি আফ-সোস করেছেন যে ছোটবেলা থেকে যাকে মানুষ করেছেন তিনি , আজ সেই ছেলে প্রতিদান হিসেবে এমনটা করছে তার সাথে । তিনি নিজের প্রতি আফসোস করেছেন ।

কারণ সঠিকভাবে সে তার ছেলেকে মানুষ করে উঠতে পারেনি । এই সমাজে মানুষের মতন মানুষ করতে পারেনি তাই হয়তো আজকে তার নিজের বাড়ি ছেড়ে ঠাঁই হয়েছে বৃদ্ধাশ্রমে । ঠিক এভাবেই জীবনের না পাওয়া অনেকগুলি আক্ষেপের কথা তিনি তুলে ধরেছেন ওই চিঠির মাধ্যমে যা এখন সাইবার দুনিয়াতে খবরের শিরোনামে বিরাজ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.