স্বামীকে পিঠে চাপিয়ে ঝেড়ে দৌড় দিচ্ছে বউরা , ভাইরাল ভিডিও

আজকের যুগে নারী ও পুরুষ উভয়ই সমান। মহিলারা এখন প্রতিটি ক্ষেত্রে পুরুষদের সাথে সমানতালে টক্কর দিচ্ছে। কিন্তু আজও কিছু লোক নারীকে পুরুষের চেয়ে কম মনে করেন।

এই জাতীয় পরিস্থিতিতে এ বিষয়ে সম্পর্কে লোকেদের সচেতন করা দরকার। নেপালের আন্তর্জাতিক মহিলা দিবস একটি অনন্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল।

এখানে শ্রী রা তাদের স্বামীর উপরে দৌড়ে লিঙ্গসমতার বার্তা দেওয়ার জন্য এসেছিল। আসলে সোমবার আন্তর্জাতিক মহিলা দিবস এ নেপালের দেবগ্রাম কাউন্সিল স্থানীয় স্কুল মাঠে অনন্য জাতির প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল।

এটি ছিল একটি 100 মিটার দৌড় যেখানে মহিলারা অংশ নিয়েছিল এবং তাদের স্বামীদের কাঁধে চাপিয়ে দিয়েছিল। এই দৌড়ে অংশ নেওয়া পশুপতি শ্রেষ্ঠ সংবাদ সংস্থা এএনআই কে বলেছেন ‘আমি আমার স্বামীকে তার কাঁধে নিয়েছিলাম এবং এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছিলাম।

আমি এখানে অনেক সাহসিকতা এবং আরোহন নিয়ে এসেছি। আমি জিততে পারেনি তবে আমি আনন্দিত যে মহিলাদের অগ্রাধিকার এবং সম্মান দেওয়া হয়েছে।

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে দেড়শ কিলোমিটার দূরে স্কুলে এই অনন্য অনুষ্ঠানটি হয়েছে সেখানে বহুদূর থেকে মানুষ সেই অনুষ্ঠানটি দেখতে এসেছিল। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সমস্ত দম্পতিকে একটি শংসাপত্র দেওয়া হয়েছিল।

দুর্গা বাহাদুর থাপা, গ্রাম পরিষদ প্রধান যারা এই প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করেছিল। এ টি এন আই কে বলেছিল যে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ খেলা ছিল যেখানে যার ভিত্তিতে যেকোনো জিততে পারে, বিশেষ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়নি।

তবে যারা এতে অংশ নিয়েছে তাদের শংসাপত্র দেওয়া হয়েছিল। আজকের সময় নারী এবং পুরুষ উভয়ই সমান। এই ব্যাপারে জনগণের সচেতন হওয়া অবশ্যই উচিত।

একই সময়ে নেপাল আন্তর্জাতিক মহিলা দলের একটি অনন্য প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অংশ গ্রহণকারী বলেছেন যে আমি আমার স্বামীকে নিয়ে এসেছি এই খেলায় অংশ নিতে।

আমি জিততে পারবো কিনা জানিনা তবে লিঙ্গ সমতা এই অনন্য অনুষ্ঠানটি দেখে আমার বেশ ভাল লেগেছে। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তারা বিশ্বকে বলতে চেয়েছিল যে মহিলাদের পুরুষদের মতন শক্তি রয়েছে।

যারা বলে মহিলাদের বাড়িতে থাকা উচিত তাদের গৃহকর্মী মানায় তাদের ভুল প্রমাণ করাই ছিল এই প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য। এই কারণে এখনও অনেক জায়গায় মেয়েদের উচ্চশিক্ষা দেওয়া হয় না।

বর্তমানে পুত্র কর্ণ উভয়ই সমান মনে করা হয় তাই উভয়কে সমান শিক্ষার সুযোগ দেওয়া উচিত। এই প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়েই বার্তায় সমাজের কাছে পৌঁছচ্ছে যে মহিলারা পুরুষদের মতন কাজ করতে সক্ষম, তাদের ভিতর কাজ করার শারীরিক ও মানসিক শক্তি রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.