মেয়ের বাবাকে বলুন, আপনি টুইটারের সিইওর চেয়ে বেশি বেতন পান

বিয়ের আগে মেয়ের বাবাকে বলতে পারেন, আপনি টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জ্যাক ডরসির চেয়ে বেশি বেতন পান। ডরসি গত বছর মূল বেতন হিসেবে পেয়েছেন মাত্র ১ দশমিক ৪০ ডলার।

২০১৯ সালে পরিমাণটা একই ছিল, এমনকি ২০১৮ সালেও। কোনো ইনক্রিমেন্ট ছিল না। বাড়তি কোনো পারিশ্রমিকও পাননি।পরিমাণটা অবশ্য ২০১৭ সালের চেয়ে বেশি। সে বছর তাঁর বেতন ছিল শূন্য। কোনো বেতন পাননি কিংবা নেননি।

কারণ, ১ ডলার ৪০ সেন্ট ছাড়া আর কোনো পারিশ্রমিক না নেওয়ার সুপারিশ তিনি নিজে যেচে গিয়ে করেছেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের কাছে।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে জমা দেওয়া নথিতে এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, টুইটারের দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনার প্রতি তাঁর বিশ্বাস ও প্রতিশ্রুতির ফলস্বরূপ এমনটা করা হয়েছে।

অর্থাৎ টুইটার একদিন মহিরুহ হয়ে উঠবে এবং সেদিন তিনিসহ সব অংশীজন উপকৃত হবেন, এই প্রত্যাশা তাঁর। তবে প্রত্যাশা যদি তেমনই হয় তো কোনো বেতন না নিলেই পারেন। ১ দশমিক ৪০ ডলার কেন?

জনপ্রিয় জনশ্রুতি হলো, টুইটারে কোনো কিছু পোস্ট করার সময় সেখানে ১৪০ অক্ষরের বেশি লেখা যেত না। প্রতি অক্ষরের জন্য এক সেন্ট করে মোট ১৪০ সেন্ট বা ১ দশমিক ৪০ ডলার।

টুইটারের সে নিয়ম অবশ্য বদলেছে। ব্যবহারকারীরা বেশ অনেক দিন ধরেই ২৮০ অক্ষর টুইট করতে পারেন। সেদিক থেকে ডরসির মূল বেতনও দ্বিগুণ হওয়া উচিত ছিল। তবে এখনো তা হয়নি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল গতকাল এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচকের প্রতিষ্ঠানগুলোর সিইওদের ২০২০ সালের বেতনের তালিকা প্রকাশ করেছে। সে তালিকার শীর্ষে আছেন পেকম সফটওয়্যারের সিইও চ্যাড রিচিসন।

তিনি ২০ কোটি ডলারের বেশি পারিশ্রমিক পেয়েছেন ২০২০ সালে। আর বছরে ৫০ লাখ ডলারের কম বেতন পেয়েছেন ২৪টি প্রতিষ্ঠানের সিইও। এই ২৪ জনের মধ্যে জ্যাক ডরসির সঙ্গে আছেন টেসলার ইলন মাস্কও। মাস্ক অবশ্য গত বছর কোনো বেতন নেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.