দু’য়েক দিনেই হবে উল্কা বৃষ্টি, দেখবেন যেভাবে

নতুন বছরের শুরুতেই মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হওয়ার সুযোগ এসেছে। এমনটাই দাবি করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। ২ থেকে ৩ জানুয়ারির মধ্যে আকাশে দেখা যাবে চতুষ্কোণ উল্কা বৃষ্টি দাবি মহাকাশ গবেষকদের। কী এই চতুষ্কোণ উল্কা বৃষ্টি?বিজ্ঞানীরা জানান, সাধারণত ধূমকেতুর কণা এবং গ্রহাণুর ভাঙা অংশ এই ধরনের উল্কায় পরিণত হয়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে যখন তা প্রবেশ করে তখনই আগুন ধরে যায় আর আকাশে উজ্জ্বল কণার মতো প্রতিভাত হয়। ১৮২৫ সালে প্রথম এই ধরনের উল্কা বৃষ্টির পরিচয় পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। তাকে চতুষ্কোণ

বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ইঁদুর ব্যবহার করা হয় কেন? জানলে অবাক হবেন

মানুষের শারীরিক নানান রোগ সারাতে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। তবে রোগ সারাতে সঠিক রোগ ও চিকিৎসা সম্পর্কেও জানতে হয়। নইলে সঠিক চিকিৎসা দেয়া সম্ভব নয়। তাইতো শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য মানুষ বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে। মানুষ বৈজ্ঞানিক ভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান খোঁজার চেষ্টা করে। বৈজ্ঞানিক এই পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য কোনো মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলা মোটেও সঠিক নয়। আর না এতে কেউ রাজিও হবে। তাইতো মানুষের পরিবর্তে কোনো প্রাণীকে বেঁছে নেয়া হয়। আর এই পরীক্ষার আশানুরূপ

বছরের শেষ সূর্যগ্রহণ আগামীকাল, কোথা থেকে দেখা যাবে?

বছরের শেষ সূর্যগ্রহণ দেখা যাব’ে আগামীকাল, সোমবার। বছরের শেষ সূর্যগ্রহণ নিয়ে উচ্ছ্বসিত বিশ্ববাসী। তবে সূর্যগ্রহণ বেশ কিছু চর্চিত মতবাদ এখনও আছে। যার কোনও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই। জ্যোতিষবিদ্যার স’ঙ্গে সম্পর্কের পাশাপাশি, ভারতে ধ’র্মের স’ঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সূর্যগ্রহণ। সূর্যগ্রহণ নিয়ে আজও অনেক কুসংস্কারও আছে। কোথা থেকে দেখা যাব’ে সূর্যগ্রহণ? আগামীকাল ১৪ ডিসেম্বর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেখা যাব’ে সূর্যগ্রহণ। দক্ষিণ আমেরিকা, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দেখা যাব’ে। একইস’ঙ্গে চিলি, আর্জেন্টিনার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দুপুরের

৮০০ বছর পর বিরল ক্রিসমাস ষ্টার গঠনের ফলে ২০২০এর দীর্ঘতম রাতে যা ঘটবে!

আমর’া যে গ্রহে বাস করি অর্থাৎ পৃথিবী (Earth) সৌরজগতের (Solar System) একটি গ্রহ মাত্র। পৃথিবী ছাড়াও আরো অনেক গ্রহ রয়েছে আমা’দের সৌরজগতে। তাদের মধ্যে দুটি গ্রহ হল বৃহস্পতি (Jupiter) ও শনি (Saturn)। আমা’দের সৌরজগতের সবথেকে বড় দুটি গ্রহ হল এই বৃহস্পতি ও শনি। প্রায় ৮০০ বছর পর বিরল তিথিতে মিলিত ‘হতে চলেছে এই দুই গ্রহ। পৃথিবী থেকে বৃহস্পতি ও শনির দূরত্ব প্রায় ৪০০ মিলিয়ন মাইলের বেশি। তবে, আগামী ২১ শে ডিসেম্বর সৌরজগতের এই বৃ’হত্তম গ্রহ

মহাকাশে রঙিন মুলো চাষ করে তাক লাগালেন বিজ্ঞানীরা, দেখুন ভাইরাল ভিডিও

যত দিন যাচ্ছে পাল্লা দিয়ে তত প্রযুক্তিরও উন্নতি ঘটে চলেছে। সমস্ত অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলছেন বিজ্ঞানীরা। যার ফলস্বরূপ মহাকাশেও চাষ করা হল ফসল। কী অবাক হলেন তো? হওয়ারই কথা, কারণ এমনটাও যে হতে পারে তা কল্পনারও অতীত ছিল। সম্প্রতি এই কীর্তি করেছেন মহাকাশ বিজ্ঞানী কেট রবিন্স এবং তার টিম। নাসা ও ফ্লোরিডা সরকারের যৌথ উদ্যোগে সকলে মিলে তারা মহাকাশে মুলো চাষ করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়েছে সেই ভিডিও। যেখানে মুলো চাষ করার প্রত্যেকটি পদক্ষেপ

৮০০ বছর পর বিরল দৃশ্যের দেখা মিলবে চলতি মাসের যেদিন

বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী ‘হতে চলেছে বিশ্ব। আগামী ২১ ডিসেম্বর সূর্য ডুবে যাওয়ার পর পৃথিবী থেকেই খালি চোখেই দেখা যাব’ে বৃহস্পতি ও শনি। ৮০০ বছর পর এমন দৃশ্য দেখা যাব’ে। ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ডিসেম্বরের তৃতীয় স’প্ত াহ থেকেই বৃহস্পতি ও শনিগ্রহ খুব কাছাকাছি চলে আসবে। পশ্চিম আকাশে চোখ রাখলেই ওই মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা যাব’ে। তবে নাসা জানিয়েছে, গ্রহ দুইটি এতো নিকটে আসার পরও তাদের মধ্যে লাখ লাখ মাইল দূরত্ব থাকবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, মোটামুটি প্রতি ১৯

যুগান্তকারী আবিষ্কার! ২ ঘণ্টায় পৃথিবীর যে কোনও প্রান্তে পৌঁছাবে এই বিমান!

আবারও এক আবি’ষ্কারে বিশ্ববাসীকে চমকে দিতে চলেছে চীন। কারণ সম্প্রতি বিমানের একটি নতুন ইঞ্জিন তৈরি করেছেন চীনের বিজ্ঞানীরা। তাদের দাবি, এই ইঞ্জিনের সাহায্যে মাত্র দু’ঘণ্টার মধ্যেই পৃথিবীর যে কোনও প্রান্তে পৌঁছে যাব’ে বিমান। ইঞ্জিনটি ব্যবহার করলে শব্দের গতির চেয়েও ১৬ গু’ণ দ্রুত যাব’ে বিমান। সাউথ চায়না মর’্নিং পোস্ট-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেইজিং টানেলে ট্রায়াল চলার সময়ে এই ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা রীতিমতো নজর কেড়েছে। জেট ইঞ্জিনটি টানেলের মধ্যে সর্বাধিক গতিতে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের কথায়, ফুয়েল এফিসিয়েন্সি হোক

দেড়শ মিলিয়ন ডিগ্রির বেশি তাপমাত্রা! পরমাণু শক্তিযুক্ত কৃত্রিম সূর্য বানিয়ে ফেলল চিন

কৃত্রিম সূর্য। আসলে যা নিউক্লিয়ার ফিউশন রিঅ্যাকটর। চিন সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, তারা একটি কৃত্রিম সূর্য তৈরি করেছে। এর ফলে দেশের পরমাণু শক্তি গবেষণার ক্ষমতা বহু গু’ণ বেড়ে গেল বলে তাদের দাবি। এই রিঅ্যাকটরের নাম এইচএল-২এম টোকামাক। চিনের বৃ’হত্তম ও আধুনিকতম এই নিউক্লিয়ার ফিউশন এক্সপেরিমেন্টাল রিসার্চ ডিভাইসের মাধ্যমে দূষণহীন শক্তিশালী এই শক্তির উৎস উন্মুক্ত করা সম্ভব বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন। গরম প্লাজমা দ্রবীভূ’ত করতে এই রিঅ্যাকটর ব্যবহার করে একটি শক্তিশালী চৌম্বকীয় ক্ষেত্র, এর ফলে

অচল হয়ে গেল গ্রহাণু থেকে পৃথিবীকে রক্ষাকারী Arecibo টেলিস্কোপ, ঘোর চিন্তায় বিজ্ঞান-জগৎ

অচল হয়ে গেল বিখ্যাত আরেকিবো *(Arecibo) টেলিস্কোপ। গত ১ ডিসেম্বর থেকে বিশালাকার এই টেলিস্কোপ পুরোপুরি ভাবে কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে। কয়েক দশক ধরে মহাকাশের নানা রহস্য উন্মোচনের পাশাপাশি পৃথিবীর দিকে কোন কোন গ্রহাণু (Meteor) ধেয়ে আসছে, তা এর মাধ্যমেই খবর রাখতেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। দলে গ্রহাণুর ‘আক্রমণ’ থেকে এটিই ছিল পৃথিবীর অন্যম রক্ষাকবচ। কিন্তু হঠাৎ করে এটি অচল হয়ে যাওয়ায় চিন্তায় রয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই আরেকিবো টেলিস্কোপটি পোর্তো রিকোয় অবস্থিত। কিন্তু এর ৯০০ তনের প্ল্যাটফর্মটি সম্প্রতি

বছরের শেষ চন্দ্রগ্রহণ আজ, যখন দেখবেন

আজ বছরের শেষ চন্দ্রগ্রহণ। তবে এটি একটি উপচ্ছায়া গ্রহণ। উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণের প্রথম স্পর্শ লাগছে দুপুর ১টা ০৪ মিনিটে। পূর্ণগ্রাসের সময় দুপুর ৩টে ১৩ মিনিট। চন্দ্রগ্রহণ শেষ হবে সন্ধে ৫টা ২২ মিনিটে। তবে এই চন্দ্রগ্রহণে সূতক কাল বিবেচ্য নয়। উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণ হওয়ায় সূতক মান্য হবে না। সাধারণত ৯ ঘণ্টা আগে গ্রহণের সূতক আরম্ভ হয় ও গ্রহণ সমা’প্ত ির স’ঙ্গে স’ঙ্গে সূতকেরও সমা’প্ত ি ঘটে। বছরের এই অন্তিম চন্দ্রগ্রহণটি এশিয়ার কিছু দেশের পাশাপাশি আমেরিকার কিছু অংশে দেখা